এসআইআর নিয়ে আগেই কবিতা লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এবার কবিতার মাধ্য়মে এসআইআর-র প্রতিবাদে মুখর হলেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এসআইআর নিয়ে আগেই কবিতা লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এবার কবিতার মাধ্য়মে এসআইআর-র প্রতিবাদে মুখর হলেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘আমি অস্বীকার করি’ শীর্ষক কবিতাটি পোস্ট করেছেন অভিষেক। যার ছত্রে ছত্রে রয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়ায় সাধরণ মানুষের 'হয়রানি' ও মৃত্যুর কথা। এসআইআরের কারণে ১৫০ জনের মৃত্যু, অসংখ্য মানুষের হয়রানির কথা উল্লেখ করে অভিষেক কবিতায় নিজেকে ‘সাক্ষী’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, 'সাক্ষী যখন কথা বলে সিংহাসন তখন কাঁপে'।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রাজ্য ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর চলছে। এরপরেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। যদিও এখনও এসআইআর শুনানি শেষ হয়নি। শুনানির দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেড়েছে। এই এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও শাসকদল তৃণমূলের সংঘাত চরমে উঠেছে। ইতিমধ্যেই মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। একাধিক বিএলও-সহ অন্তত ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও এসআইআর শুনানিতে সাধারণ মানুষকে হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ তৃণমূলের। এই প্রেক্ষাপটেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাকে কাঠগড়ায় তুলেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।

এদিকে, এসআইআর প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা আবেদনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের জবাব সোমবার শুনবে সুপ্রিম কোর্ট। গত সপ্তাহে এক ঐতিহাসিক শুনানিতে মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত হন এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি হাতজোড় করে শীর্ষ আদালতের কাছে "গণতন্ত্রকে রক্ষা করার" আবেদন জানান। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ তুলে বন্দ্যোপাধ্যায় শীর্ষ আদালতে বলেন, ১.৩৬ কোটিরও বেশি ভোটার লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র তালিকায় রয়েছেন, যাদের নাম পদবির বানান ভুল বা বিয়ের পর মেয়েদের ঠিকানা পরিবর্তনের মতো পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তিনি রাজ্যে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিযুক্ত ৮,৩০০ মাইক্রো-পর্যবেক্ষকের মোতায়েনের বিষয়টিও উত্থাপন করেন। তিনি তাঁদের কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিক বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন যে তারা কোনও কর্তৃত্ব ছাড়াই অসাংবিধানিকভাবে ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছেন।