রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্য়ালয় থেকে সোমবার ইস্তফা দিলেন চার অধ্যাপক জাত তুলে হেনস্থা করার জন্যই অধ্য়াপকরা এই সিদ্ধান্ত  নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে অভিযোগ, দিনের পর দিনে অধ্যাপকরা বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছেন অভিযোগের তির তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ৯ টি ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে

রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্য়ালয় থেকে সোমবার ইস্তফা দিলেন চার অধ্যাপক। জাত তুলে হেনস্থা করার জন্যই অধ্য়াপকরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অভিযোগ, দিনের পর দিনে অধ্যাপকরা বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছেন। অভিযোগের তির তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ৯ টি ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে। চার বিভাগীয় প্রধান সহ রবীন্দ্রভারতীর তিনটি সংস্থার অধিকর্তাও পদত্যাগ করেছেন। এই মর্মে আজ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনায় বসলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 

পদ্যতাগী অধ্যাপক আশিস দাস জানান, এক বিভাগীয় মহিলা অধ্যাপক সরস্বতী কারটেকাকে জাত তুলে হেনস্থা করা হয়। এমনকী, এক দিন তাঁকে ৩-৪ ঘণ্টা ঘেরাও করেও রাখা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানান অধ্যাপকরা। সেই প্রতিবাদের ফলস্বরূপও গত বৃহস্পতিবার তাঁদের পাঁচ ঘণ্টা ধরে ঘেরাও করে রাখা হয়। সেই জন্যই আজ পদত্যাগ দিয়েছেন অধ্যাপকরা। 

পদত্যাগী অধ্যাপকদের অভিযোগ, কয়েকজন ছাত্র ও শিক্ষাকর্মীরা তাঁদের ঘেরাও করে রেখে অশ্লীল ভাষায় আক্রমণও করেন। এমনকী ভূগোল বিভাগের বিন্দি সাউয়ের গায়ের রং নিয়েও মন্তব্য করেন। যে অধ্যাপকরা ইস্তফা দিয়েছেন, তাঁরা হলেন অর্থনীতি দফতরের বিন্দি সাউ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বঙ্কিমচন্দ্র মণ্ডল,সংস্কৃতের অমল মণ্ডল ও এডুকেশন বিভাগের ভারতী বন্দ্যোপাধ্যায়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী জানান রবীন্দ্রভারতীতে জাতপাতের সংক্রমণ নেই। ভূগোল বিভাগের অধ্যাপকের থেকে একটি মেল পান। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি সেই অনুযায়ী কাজ শুরু করেছেন। আশা করা হচ্ছে এর মধ্য়ে দিয়েই সত্য উদঘাটিত হবে। রবীন্দ্রনাথের নামে এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই ঘটনা নজিরবিহীন। সে জন্য়ই তদন্ত হচ্ছে। নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে নিশ্চয়ই পদক্ষেপ করা হবে।

উপাচার্য আরও জানান, অধ্যাপকরা তাঁর কাছে পদত্যাগ পত্র দেননি। বিভাগীয় দফতরে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। 

আজ এই মর্মেই আলোচনা করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, সত্য় উদঘাটন হবে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁকে শাস্তি দেওয়া হবে।