খাস কলকাতাতেই  (Kolkata) মৃত্যু হল পানশালার গায়কের (Bar Singer)এবার বাড়ি থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে মিলল পানশালার গায়কের দেহ। কলকাতার মানিকতলা এলাকায় এই ঘটনা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলেই দাবি তুললেন মা ও বাবা। এমনকী পানশালার ওই যুবকের স্ত্রীর দিকেই অভিযোগের আঙুল উঠেছে। যদিও এটা খুন কিনা। তা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট (Postmortem Report) আসার আগেই এই বিষয় নিয়ে মুখ খুলতে রাজি নন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঠিক কী হয়েছিল, তা নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা।

খাস কলকাতাতেই (Kolkata) মৃত্যু হল পানশালার গায়কের (Bar Singer)এবার বাড়ি থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে মিলল পানশালার গায়কের দেহ। কলকাতার মানিকতলা এলাকায় এই ঘটনা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলেই দাবি তুললেন মা ও বাবা। এমনকী পানশালার ওই যুবকের স্ত্রীর দিকেই অভিযোগের আঙুল উঠেছে। যদিও এটা খুন কিনা। তা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট (Postmortem Report) আসার আগেই এই বিষয় নিয়ে মুখ খুলতে রাজি নন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঠিক কী হয়েছিল, তা নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মানিকতলা এলাকার বাসিন্দা বাবলু সর্দার নামে ওই যুবক পানশালায় গান গাইতেন। প্রতিদিন সন্ধ্যা হতেই স্কুটার চেপে বাড়ি থেকে কাজে বেরোতেন। এবং কাজ শেষ করে গভীর রাতে বাড়িতে ফিরতেন। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সন্ধ্যে হতেই স্কুটার নিয়ে বাড়ি থেকে কাজে বেরোন বাবলু (Bablu)। তবে সেদিন আর রাতে বাড়ি ফেরেনি বাবলু। তারপরই শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। সেদিন রাতের পর থেকে আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি বাবলুর সঙ্গে (Kolkata)। মঙ্গলবার রাত পোহাতেই বুধবার ভোর সাড়ে চারটের নাগাদ বাড়ি থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে দেখা যায় বাবলুকে পড়ে থাকতে। তারপরই তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলেই ঘোষণা করে।

এই ঘটনার পর গোটা এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক যেন এখন জলভাত। সকলের ঘরে ঘরেই এখন এক্সট্রা ম্যারিট্যাল অ্যাফেয়ার নিয়েই নিত্য নৈমিত্তিক অশান্তি লেগেই রয়েছে। একাধিক সম্পর্ক , পরকীয়ায় ছেলেও মেয়ে উভয়েই জড়িত। পানশালার গায়কের বাবা ও মায়ের দাবি তাদের ছেলেকে খুন করা হয়েছে। ছেলের স্ত্রী সরস্বতী এই কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন বাবলুর মা ও বাবা। এছাড়াও ছেলেকে মেরে ফেলার ঘটনায় শ্বশুরবাড়ির লোকজনও খুনের ঘটনায় জড়িত বলে দাবি করেন তারা। আজ থেকে ১২ বছর আগে বাবলুর সঙ্গে বিয়ে হয় সরস্বতী। বর্তমানে তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। স্বামীকে খুনের অভিযোগ কার্যত উড়িয়ে দিয়েছেন ওই গৃহবধূ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে উল্টোডাঙ্গা থানার পুলিশ। কীভাবে মৃত্যু হল বাবলুর, সেই বিষয়ে এখনই কিছু মুখ খুলতে নারাজ তদন্তকারীরা। আপাতত রিপোর্ট হাতে আসার অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। মানিকতলা এলাকায় ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।