ভারতীয় সৈন্যবাহিনীর উপর হামলার প্রতিবাদ কলকাতাতে। লাদাখের ভারত চিন সীমান্তে ভারতীয় সৈন্যবাহিনীর উপর যে হামলা চালানো হয়েছে তার প্রতিবাদে বুধবার সল্টলেকে ই.সি. ব্লকে চাইনিজ কনস্যুলেটে  জেনারেল অফিসের সামনে এবিভিপি-র বিক্ষোভ।

আরও পড়ুন, সাগর দত্তকে কোভিড হাসপাতাল করায় বিক্ষোভ, পুলিশের ব্য়পক লাঠিচার্জ

বেশ কয়েকদিন ধরে লাদাখের ভারত চীন সীমান্তে ভারতীয় সৈন্য বাহিনীর উপর আক্রমণ করছে চিন সেনারা। তারই প্রতিবাদে বুধবার সল্টলেকে ইসি ব্লকের চাইনিজ কনস্যুলেট জেনারেলের অফিসের সামনে এবিভিপি ছাত্র ছাত্রীদের বিক্ষোভ। ভারতীয় সেনার ওপর কমিউনিস্ট চীনের কাপুরুষোচিত আক্রমনের প্রতিবাদে,কলকাতার চিনা রাষ্ট্রদূত ভবনের সামনে,বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হল এবিভিপির পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুন, করোনা আবহে রাজ্য়ের প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রীর বাড়ির কাছে দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য পাম এভিনিউতে


প্রসঙ্গত, ১৪জুন রবিবার রাতের দিকেও চিনা সেনারা ভারতীয় সেনাদের লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ে। বাধা দেয় পেট্রোলিং-এ। পরের দিন অর্থাৎ ১৫ জুন সোমবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সীমান্ত পরিস্থিতি। গ্যালওয়ান নদীর একটি  অংশে দুই দেশের সেনারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি ক্রমশই জটিল আকার ধারণ করে। সেই সময় ভারতীয় সেনাদের গ্যালওয়ান নদীতে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। চিনা সেনাদের ভারতীয় ভূখণ্ড খালি করতে বলা হয়। কিন্তু চিনা সেনারা রাজি না হওয়ায় বিহার রেজিমেন্টের কর্নেল সন্তোষ বাবুর নেতৃত্বে ভারতীয় সেনাবাহিনীর নিরস্ত্র একটি দল টহল দেওয়ার পাশাপাশি চিনা সেনাদের সঙ্গে আলোচনার জন্য যাত্রা শুরু করে। তবে সেই আলোচনায় কোনও লাভ হয়নি। চিনা সেনারা ফিরে যেতে তা অস্বীকারও করে। পাশাপাশি সীমান্তে অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে তোলে। সোমবার রাতে গালওয়ান উপত্যকায় চিনা সেনা ও ভারতীয় সেনারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই এক কর্নেল-সহ আরও দুই ভারতীয় জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল।তারপর মঙ্গলবার গুরুতর আহত আরও ১৭ জন সৈনিক মারা যান। একসঙ্গে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যুর খবরে গোটা দেশই শোকাহত।