যোগী রাজ্যে একের পর এক গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনা। হাতরস নিয়ে যখন গোটা দেশ উত্তাল। তখন পরপর নৃশংস চারটি গণধর্ষণ ও খুনের সামনে এল। বুধবার তিন তরুণী সহ এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে প্রতিবাদ বিক্ষোভ। একইভাবে কলকাতাতেও বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেখাল ভাষা ও চেতনা সমিতি।

আরও পড়ুন-১৫ অক্টোবর নয়, ১ নভেম্বর থেকে অসমে খুলছে স্কুল-কলেজ

হাথরসের পর ভাদোহীতেও এক দলিত কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উত্তরপ্রদেশে। অভিযোগ, গণধর্ষণের পর নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে ওই কিশোরীকে। বৃহস্পতিবার ভাদোহী জেলার একটি মাঠ থেকে কিশোরীর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী যোগীর রাজ্যে একের পর এই ঘটনায় প্রতিবাদ সরব শহর কলকাতা। মানিকতলায় রামমোহন লাইব্রেরির সামনে বিক্ষোভ দেখায় ভাষা ও চেতনা সমিতি নামে একটি সংগঠন। যোগী আদিত্যনাথের কুশপুতুল দাহ করা হয়।

আরও পড়ুন-করোনা আবহে জিএসটি সংগ্রহে রেকর্ড, গত ছয় মাসে অগাস্টে সর্বোচ্চ কর আদায়

ভাষা ও চেতনা সমিতি নামে ওই সংগঠনের এক সদস্যের অভিযোগ, ''রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা নিবারণ করেছিলেন। আর জয় শ্রীরামপন্থীরা ধর্ষণ করে মণীষাদের দেহ জ্বালিয়ে দিচ্ছে''। তাঁর আরও অভিযোগ, ''ধর্ষণকারীদের পক্ষ নিচ্ছে যোগী সরকার। প্রমাণ লোপাট করতে দেহ পরিবারের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে রাতের অন্ধকারে জ্বালিয়ে দিচ্ছে''। 

আরও পড়ুন-'টো টো কোম্পানি'দের জন্য় সুখবর, ২ অক্টোবর থেকে চালু হচ্ছে শিয়ালদহ-পুরী স্পেশ্যাল ট্রেন

উত্তরপ্রদেশের একের পর এক গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনার আগেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাথরস যাওয়ার পথে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকেও মাঝপথে বাধা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনার প্রতিবাদের আগুন জ্বলছে বাংলায়।