ইতিমধ্যেই মা দুর্গার আগমন বার্তায় সেজে উঠেছে চারিদিক। শুধু তাই নয় প্রকৃতিও জানান দিচ্ছে মায়ের আগমনের। আর এরই মধ্যে নিজেদের নতুন নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে প্যান্ডেলের কাজ শুরু করেছে দুর্গা পুজো কমিটি এবং ক্লাবগুলি। আর বেশী দেরী নেই। আট থেকে আশি সবাই ইতিমধ্যে মেতে উঠেছে আয়োজনে। বলা বাহুল্য প্রস্তুতি পর্ব-ও জোরদার চলছে সব জায়গায়। পিছিয়ে নেই আহিরীটোলা সার্বজনীনও।

দেখে নিন- নাম লেখাননি এখনও, দেরি না করে অংশ নিন এশিয়ানেট নিউজ শারদ সম্মান ২০১৯-এ

আহিরীটোলার এবারের থিম হল 'অজান্তে'। অজান্তে তো আমরা কত কিছুই হারিয়ে ফেলি এবং পরে তার জন্য ভুক্তভোগী হতে হয়। এরম এক জলজ্যান্ত উদাহরণ হল  'পানীয় জল'। এই থিমের ওপর ই কাজ চলছে মণ্ডপে। গুজরাটের 'রানী কি ভাও' এর মাধ্যমে আহিরীটোলা জানাতে চাইছে যে কিভাবে জল সঞ্চয় করতে হয়। 'রানী কি ভাও' কথাটির অর্থ হল কূপ। সিঁড়ির ধাপে ধাপে গভীরে নেমে গেছে এই কূপ। জল যখন মাটির তলায় নেমে যেতো তখন মানুষ সিঁড়ি বেয়ে নেমে জল তুলে আনত।

আরও পড়ুন- বরেণ্য নেতাদের পদধূলি পড়েছিল এই বাড়িতে, সেই ঐতিহ্যই বহন করছে কলকাতার চন্দ্র বাড়ির দুর্গা পুজো

আহিরীটোলা সর্বজনীনের পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারি কৌশিক রায় যথেষ্ট আশাবাদী তাদের দুর্গা পুজো নিয়ে। আশি বছর পূর্তিতে এরম এক অভিনব ধারণার পিছনে আছেন শিল্পী তন্ময় চক্রবর্তী। এই মন্দিরের অসাধারণ কারুকার্য দেখতে পুজোর তালিকায় অবশ্যই থাকুক আহিরীটোলা সার্বজনীন।

এই পুজোর পাশাপাশি দেখেতে দেখতে পাবেন হাতিবাগান সর্বজনীন, কুমোরটুলি পার্ক, কুমোরটুলি সর্বজনীন-এর পুজোগুলিও