লকডাউনেও বেপরোয়ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে মানুষ। অবাধ্য় কলকাতাকে বাগে আনতে হাতে লাঠি ধরতে হয়েছে পুলিশকে। কিন্তু তাতেও হয়ে যাচ্ছে ভুলচুক। অভিযোগ অনেক জায়গায় পরিচয়পত্র না দেখেই সপাটে লাঠি চালাচ্ছে সিভিক ভলেন্টিয়াররা। যার জেরে পুলিশের ওপর বেজায় চটেছে অত্যাবশ্য়কীয় পণ্য় পরিষেবার আওতাধীনরা।

করোনা রুখতে এক্কা-দোক্কা, গাদির ছকে কী দেখালেন মুখ্য়মন্ত্রী.

অভিযোগ, বুধবার রেলের এমার্জেন্সি কর্মী ডিউটি থেকে বাড়ি ফেরার পথে নির্মমভাবে আক্রান্ত হন পুলিশের হাতে। হাওড়া পুলিশ তার এমার্জেন্সি ডিউটি পাস, আইকার্ড না দেখেই লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারে। একই ঘটনা ঘটেছে কোল  ইন্ডিয়ার কর্মীদের সঙ্গেও। এদের অনেকের  দাবি, রাস্তায় কার্ড না দেখেই  রীতিমতো গুন্ডামি চালাচ্ছে পুলিশ। 

করোনা আতঙ্কে জেরবার, মাস্ক পরে ফ্য়াশন শো কলকাতায়.

এবিষয়ে মুখ খুলেছে, মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআর কর্মী রঞ্জিত সুর। তিনি বলেন, কোথাও কোথাও কান ধরে উঠবস করানো হচ্ছে তো কোথাও লাঠিপেটা করা হচ্ছে। কোথাও হাতে ওয়ার্নিং সিল মারা হচ্ছে । যেটা সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ এবং সংবিধান বিরোধী। মানবতা মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে পুলিশ। মানুষ আইন না মানলে আইন মোতাবেক তার বা জরিমানা হতে পারে । পুলিশ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না। ইতিমধ্য়েই মুখ্য়মন্ত্রীর কাছে বিষয়টি দেখার জন্য় চিঠি পাঠিয়েছে তাদের সংগঠন। 

কাসর-ঘণ্টায় কাজ হচ্ছে না, মাস্ক না পেয়ে বিক্ষোভে বেলেঘাটা আইডি.

তবে এদিনই  লকডাউন নিয়ে পুলিশের অতিসক্রিয়তায় মুখ খুলেছেন খোদ মুখ্য়মন্ত্রী। নবান্নের বৈঠকে মুখ্য়মন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, ইমারজেন্সি সার্ভিসের লোকজন যেন পুলিসের জন্য় বিপাকে না পড়ে। সেদিকে নজর রাখতে হবে। অন্য়থায় পুলিশের বিরুদ্ধেই ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।