বনধের সমর্থনে এলাকায় একটি মিছিল বেরিয়েছিল। ধর্মঘটীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল যাদবপুর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করল পুলিশ, নামল ব়্যাফ। আটক করা হল সিপিএম নেতা ও স্থানীয় বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীকে। 

ঘোষিত কর্মসূচি, বুধবার সকালে যাদবপুরের এইবি বাসস্ট্যান্ড থেকে বনধের সমর্থনে মিছিল বের করেন বাম-কর্মী-সমর্থকরা। মিছিলে নেতৃত্বে ছিলেন সিপিএম নেতা ও বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী। মিছিল থেকে আশেপাশের দোকানগুলি বন্ধ করার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ মিছিল আটকালে,পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। পুলিশের গাড়িতে হামলা চালানো হয়, বেশ কয়েকটি গাড়ি ও বাসে বনধ সমর্থকরা ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ। বাধা দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন ধর্মঘটীরা। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়। নামানো হয় ব়্যাফ। এদিকে ততক্ষণে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে পুলিশের একটি গাড়ি। শেষপর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সিপিএম নেতা ও বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীকে আটক করে পুলিশ। আটক করা হয় আর দেড়শো জন বিক্ষোভকারীরা।  

আরও পড়ুন: 'সিপিএম লুপ্তপ্রায় প্রাণী, আগামী দিনে চিড়িয়াখানায় দেখতে হবে'

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর নাকের ডগায় বনধ, মেট্রো স্টেশনের শাটার নামিয়ে দিলেন ধর্মঘটীরা

উল্লেখ্য, স্রেফ রাস্তা নেমে মিছিল কিংবা অবরোধই নয়, বুধবার সকালে দলের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে দমদম মেট্রো স্টেশনেও ঢোকার চেষ্টা করেন সিপিএম-এর রাজ্য কমিটির সদস্য কণীনিকা ভট্টাচার্য। জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হয় টিকিট কাউন্টারও। তবে পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ব্যাঘাত ঘটেনি মেট্রো চলাচলেও।