আজ থেকে স্বাভাবিক পরিষেবা দেবে সব ব্যাংকগুলি।  লকডাউনের মধ্য়েও খোলা থাকবে সব ব্যাঙ্ক। রাজ্য়ে সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কিং অ্যাসোসিয়েশন। ইতিমধ্য়েই সব ব্যাঙ্কে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ মজুত থাকে,সেদিকে নজর দিতে বলেছে অর্থমন্ত্রক। তবে সোশ্য়াল ডিস্ট্যান্সিং মেনে যথাযথ ব্য়বস্থা রাখা হবে ব্যাঙ্কগুলিতে। 

কদিন আগেই লকডাউনে ব্যাংক পরিষেবা দেওয়ার কথা বললেও  বেশকিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে ব্যাঙ্কিং সেক্টর। নতুন নির্দেশনামায় বলা হয়, আপাতত সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাংক পরিষেবা। তবে সব ব্যাঙ্কের সব ব্রাঞ্চ খোলা পাবে না গ্রাহকরা। প্রতিটি  ব্যাঙ্কেরই ৫ কিলোমিটার অন্তর খোলা থাকবে একটি শাখা। এই নিয়ম লাগু হয়েছে সব ব্য়াঙ্কের ক্ষেত্রেই।

 এবারও সেপথেই হাঁটল ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কিং অ্যাসোশিয়েশন। মূলত, একাধিক গরিব কল্যাণ প্রকল্পে টাকা দেওয়ার কথা বলেছে মোদী সরকার। আপাতত তারই হিসেব কষছে ব্যাঙ্কিং অ্যাসোশিয়েশন। সেকারণেই আগের মতো সোমবার থেকে সম্পূর্ণ পরিষেবা দেবে ব্যাঙ্কগুলি। গ্রামের দিকে যেরকম একদিন অন্তর  ব্যাঙ্ক খোলা থাকছিল এবার থেকে আর সেরকম হবে না। রোজই ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে। শহরেও সব ব্যাঙ্কের শাখাই খোলা থাকবে। কোনও নির্দিষ্ট সীমা অন্তর ব্যাঙ্ক খোলা রাখার কথা বলেনি অ্যাসোসিয়েশন। সকাল দশটা থেকেই আপাতত দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা থাকবে  ব্যাংক। তবে খোলা থাকবে সব শাখা।

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় ব্যাঙ্কে না এসে এখন ডিজিটাল লেনদেন করতে পরামর্শ দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যাঙ্কে গেলে তাদের অ্যাপ স্মার্ট ফোনে ডাউনলোড করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভাইরাস মোকাবিলায় কদিন আগে একই কথা বলেছিলেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সময়ে দেশবাসীকে ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দেন তিনি।

সম্প্রতি দেশজুড়ে শুরু হয়েছে লক ডাউন। তবে হাজার সচেতনমূলক প্রচারেও কাজ হচ্ছে না। কলকাতার বুকেই লকটাউন না মেনে ঘুরে বেড়াচ্ছে বেপরোয়া লোকজন। শেষমেশ কঠোর হতে হয়েছে কলকাতা পুলিশকে। লকডাউন না মানায় গ্রেফতার করা হয়েছে হাজারের বেশি। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধরা প্রয়োগ করা হয়েছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে।