বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলের কাছে মাথা ব্যাথার কান হয়ে দাঁড়িয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দল ছাড়াই বিভিন্ন জায়গায় সভা করার জেরে তীব্র অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। পুজোর আগে ও পরে বিভিন্ন অরাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগদান করেছেন তিনি। বিভিন্ন জায়গায় তাঁর সমর্থনে পোস্টার পড়েছে। এই অবস্থায় দল থেকে দূরে থাকা শুভেন্দুর সঙ্গে আলোচনা করা সমাধান চাইছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। বেশ কয়েক দফায় আলোচনাও হয়েছে। 

আরও পড়ুন-বিধানসভা ভোটে একসঙ্গে লড়বে বাম ও কংগ্রেস, জোট ঘোষণা বিমানের

সূত্রের খবর. শুভেন্দুর মন বুঝতে সোমবার কলকাতায় তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেছেন তৃণমূলের এক বর্ষীয়ান সাংসদ। আবার কয়েক সপ্তাহ আগে দলের এক মন্ত্রী ও প্রাক্তন সাংসদের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে বলেও সূত্র মারফত খবর। যদিও, শুভেন্দু সঙ্গে বৈঠক নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি কোনও পক্ষই। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি বলে খবর। কিন্তু, তারপরেও শুভেন্দুকে নিয়ে হাল ছাড়ছে না শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের এক শীর্ষ নেতা জানান, বিধানসভা ভোটের আগে শুভেন্দু এই কার্যকলাপ কী কারনে। তাঁর মন বুঝতে দলের সঙ্গে আলোচনা করছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন-ছটপুজোর পূর্ণস্নানে সময়ে দুর্ঘটনা, ব্যারেজের জলে তলিয়ে গেল কিশোর

আরও পড়ুন-সুখবর, বাংলায় সুস্থতার হার ছাড়াল ৯২ শতাংশ, কোভিড জয়ীদের জন্য করতালি

গত ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রাম দিবস ও ভূমি উচ্ছেদ কমিটির ব্য়ানারে আলাদা সভা করেছিলেন শুভেন্দু। ওই একই দিনে নন্দীগ্রামে আলাদা সভা করেছিল তৃণমূল। সেই সভা থেকে শুভেন্দুর নাম করে তাঁকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু। পাশাপাশি, নাম না করে শুভেন্দুর সমালোচনা করেছিলেন ফিরহাদ হাকিমও। তাঁর পালটা হিসেবে মুখ খুলেছিলেন শুভেন্দুর ভাই দিব্য়েন্দু অধিকারী। এছাড়াও, শুভেন্দুকে নিয়ে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। প্রধান বিরোধী দল বিজেপিতেও গুরুত্ব বাড়ছে শুভেন্দুর। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় দলীয় ব্যানার ছাড়াই সভা করছেন শুভেন্দু। তৃণমূল বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তাঁর মুখে শোনা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে তীব্র অস্বস্তিতে পড়ছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সেকারণে, সমস্যা সমাধানে শুভেন্দুর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।