'মানুষের সচেতনতাই হবে আমাদের মূল হাতিয়ার। মানুষ সচেতন হলেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে', লোকাল ট্রেন পরিষেবা শুরুর আগে এমনটাই বলছেন রেলের আধিকারিকরা। 

আরও পড়ুন, 'স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা বন্ধের নির্দেশ দিতে হবে', লোকাল ট্রেন চালুর আগেই মামলা হাইকোর্টে

 

 

 

কীভাবে ভাইরাসের সংক্রমণ রোখা সম্ভব


রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বক্তব্য করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে একাধিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু লোকাল ট্রেনে যে সংখ্যক মানুষের যাতায়াত করেন তাতে এই সমস্ত পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত করে, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হবে তাই নিয়ে রয়েছে একাধিক প্রশ্ন। সেই কারণে রেল আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মানুষের সচেতনতাই আমাদের মূল হাতিয়ার। মানুষ যদি সচেতন হয়ে লোকাল ট্রেনে যাতায়াত করেন তাহলে ভাইরাসের সংক্রমণ রোখা সম্ভব হবে। 

আরও পড়ুন, রবিবার সাতসকালে সল্টলেকে বিভিন্ন বাজারে EB-র হানা, দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ

 

প্রতিটি স্টেশনে কোভিড বিধির নিয়মিত প্রচার  

প্রসঙ্গত লোকাল ট্রেনে সংক্রমণ রুখতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে ট্রেনের ভিতরে এবং স্টেশনে মার্কিং-এর ব্যবস্থা করেছে পূর্ব এবং দক্ষিণ পূর্ব রেল। মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্টেশনের মূল্য প্রবেশ পথ গুলি ছাড়া বাকি জায়গাগুলি বন্ধের ভাবনা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু রেল কর্তাদের বক্তব্য, দীর্ঘ সাড়ে সাত মাস পর ট্রেন পরিষেবা শুরু হলে প্রচুর সংখ্যক যাত্রী লোকাল ট্রেনে যাতায়াত করবেন। কেবল নজরদারি চালিয়ে করোনা বিধি মানা সম্ভব হবে না। রেল সাবধান হলেও তাদের বক্তব্য গোটা বিষয়টাই নির্ভর করছে সাধারণ যাত্রীদের উপরে। সেই কারণে নজরদারির পাশাপাশি জোর দেওয়া হচ্ছে প্রচারের উপরে। প্রতিটি স্টেশনে নিয়মিত প্রচার করা হবে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য। 

আরও পড়ুন, গলা ব্যথা নিয়ে নারকেলবাগানের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু, কাঠগড়ায় ILS হাসপাতাল


 নজরদারি কি রুখবে সংক্রমণ

প্রসঙ্গত, মোট ট্রেনের প্রায় ৪৫ শতাংশ ট্রেন চালিয়ে পরিষেবা শুরু করছে রেল। কেবল শিয়ালদা স্টেশনেই ৫ লাখ যাত্রী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওড়া স্টেশনে জেলাগুলি থেকে আসবেন কয়েক লাখ যাত্রী। তাই কেবল নজরদারি যে করোনা সংক্রমণ রুখতে পারবে না তা বলার অপেক্ষা রাখে না।