রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে  ১২৫৯ এখনও পর্যন্ত রাজ্যে অ্যাক্টিভ করোনা কেস ৯০৮ সোমবার বিকেল পর্যন্ত করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১৮  এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে করে জানালেন মুখ্যসচিব 

রাজ্যে সোমবার পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২৫৯। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে অ্যাক্টিভ করোনা কেস ৯০৮। সোমবার বিকেল পর্যন্ত করোনামুক্ত হয়ে হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১৮ জন। এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে করে এই কথা জানালেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর হারে দেশের শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ, বলছে কেন্দ্রের টিম

রাজ্য়ে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। আক্রান্ত একধাক্কায় বেড়ে ১২৫৯। পরিসংখ্যান বলছে, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১৭.৩২ শতাংশ মানুষ করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এখনও পর্যন্ত করোনা টেস্ট হয়েছে ২৫ হাজার ১১৬। করোনা আক্রান্ত ৯০৮ জন রোগী এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তা ছাড়া গত চব্বিশ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬১ জন। সেই সঙ্গে মুখ্যসচিব আরও জানিয়েছেন, গত চব্বিশ ঘন্টায় কোভিড আক্রান্ত মৃত্যু হয়েছে আরও ১১ জনের।রাজ্য় যখন ইতিবাচক খবর শোনাচ্ছে, তখন পশ্চিমবঙ্গে করোনা পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক বলে রিপোর্ট দিচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিনিধ দল। সোমবার রাজ্য় ছাড়ার আগে মুখ্য়সচিবকে চিঠি দিয়েছেন তারা।

করোনা কোপে কলকাতার একাধিক থানা, ত্রস্ত পুলিশও, সুরক্ষায় জারি নয়া নির্দেশিকা.

যেখানে বলা হয়েছে, রাজ্য়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের হারে দেশকে ছাপিয়ে গেছে পশ্চিমবঙ্গ। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের রিপোর্ট বলছে,রাজ্য়ে এখন কোভিডে মৃতের হার ১২.৮শতাংশ, যা দেশের মধ্য়ে সবথেকে বেশি। রাজ্য় ছাড়ার আগে মুখ্য়সচিব রাজীব সিনহাকে পাঠানো চিঠিতে এই কথা জানিয়ে গিয়েছে সেন্ট্রাল টিমের সদস্যরা। পাশাপাশি রাজ্য়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় দলকে অসহযোগিতার অভিযোগ করা হয়েছে চিঠিতে।

লকডাউনে মদ কিনতে হাজির হাজারখানেক মানুষ, মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় ১৪৪ ধারা ভাঙতেই পুলিশের লাঠিচার্জ.

গত ২ সপ্তাহ ধরে রাজ্য়ে করোনা পরিস্থিতি দেখছে কেন্দ্রীয় টিম। যদিও তাদের অভিযোগ,বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করেনি রাজ্য় সরকার। সোমবারই দিল্লি ফিরে গেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পাঠানো আন্তঃমন্ত্রক টিম। মুখ্য়সচিবকে লেখা চিঠিতে কেন্দ্রীয় টিমের প্রধান অপূর্ব চন্দ্র বলেছেন,গত ৩০ এপ্রিল রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে, এবার থেকে কোভিড আক্রান্তদের মৃত্যু দৈনন্দিন পরিসংখ্যানে স্থান পাবে। স্বচ্ছতা বজায় রাখার উদ্দেশে এটা বড় পদক্ষেপ ঠিকই। 

যদিও এই পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যে ৮১৬ টি কোভিড পজিটিভ পাওয়া গিয়েছিল। যার মধ্যে মারা গিয়েছিলেন ১০৫ জন। এই হিসেব বলে দিচ্ছে,পশ্চিমবঙ্গে কোভিডে মৃত্যুর হার ১২.৮ শতাংশ। যা গোটা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই মৃত্যুর হারই বলে দিচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে টেস্টিং কম হচ্ছে এবং নজরদারির ক্ষেত্র্রেও সমস্যা রয়েছে।