বিজেপি  বিধায়ক মৃত্যুতে এবার উল্টো সুর মুকুল রায়ের মুখে। সূত্রের খবর, দল যেখানে হেমতাবাদের বিধায়ক 'খুনে' সিবিআই চাইছে,সেখানে বিচারবিভাগীয় তদন্ত চেয়েছেন মুকুল। শোনা যাচ্ছে, দলের সঙ্গে এই তরজায় নাকি টুইটার থেকেই সরে আসেন মুকুল। আচমকা মুকুল রায়কে টুইটারে না পেয়ে নানান জল্পনা তৈরি হয়। যদিও পরে টুইটারে ফিরে বিজেপি নেতা জানান, টেকনিক্যাল সমস্যার জন্যই তার অ্যাকাউন্ট টুইটারে দেখা যাচ্ছিল না। 

রাজ্য়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বলছে, বুধবার নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে দুটি টুইট করেন মুকুলবাবু। হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যুর পর তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। তারপরই আর দেখা মেলে না তার অ্যাকাউন্টের। যদি পরে তিনি টুইটারে লেখেন, আমি টুইটারে আছি এবং আরও বহু মানুষের কাছে পৌঁছতে চাই। আমার টুইটার হ্যান্ডেলের প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে। সবাইকে আর শুভকামনা।

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই টুইটারে সক্রিয় হন মুকুল। কিন্তু দিলীপ ঘোষের সঙ্গে টান্ডা লড়াই শুরু হতেই দল থেকে অনেকটা দূরত্ব রাখতে শুরু করেন। লকডাউনে সে ভাবে টুইটারে সক্রিয় থাকতে দেখা যায়নি তাকে। দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকলেও রাজ্য় নেতাদের থেকে ক্রমশ দূরত্ব বাড়তে থাকে তার। অমিত শাহের ভার্চুয়াল সভাতেও দেখা যায় সেই পরিস্থিতি। লকডাউনের আগেও দলের সদর দফতরে সেভাবে দেখা যায়নি তাকে। সল্টলেকের অফিসে বসেই যা করার করেছেন।