এক সঙ্গে সবাই এলে বিপদ। নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ করতে তাই ছোট দলে কলকাতায় আসছেন বিক্ষোভকারীরা। খবর পেয়েই সজাগ হল কলকাতা পুলিশ। শুরু হয়েছে বাসে বাসে তল্লাশি। সকাল থেকেই নিউটাউন-ভাঙড় একেবারে পুলিশের দুর্গে পরিণত হয়েছে। সন্দেহ হলেই ব্যক্তিগত গাড়ি বা বাস  থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। সব মিলিয়ে বুধবারও নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কায় মহানগর।   

লালবাজার সূত্রে খবর,আজ কলকাতায় একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মিছিল করার কথা ছিল। কিন্তু হিংসার আশঙ্কায় সেই মিছিলের অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। তবে জানা গেছে, অনুমতি না পেলেও মহানগরে মিছিলের প্রস্তুতি নিয়েছে সেই সংগঠন। সেই খবর পেয়েই সতর্কতামূলক ব্য়বস্থা নিয়েছে কলকাতা পুলিশ।

এদিন সকাল থেকেই নিউটাউনের বিভিন্ন রাস্তায় চলছে পুলিশের তল্লাশি অভিযান। একই ছবি ধরা পরেছে ভাঙড় ও নিউটাউন সংলগ্ন এলাকায়। এই সব এলাকায় বেশিরভাগ জায়গাতেই একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষের বাস। সেই কারণে ভাঙ্ড় থেকে যে সমস্ত বড় গাড়ি নিউ টাউনের দিকে ঢুকছে সেই গাড়িগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছে বিধান নগর পুলিশ। সেই গাড়িতে কেউ মিছিলে অংশগ্রহণ করার জন্য যাচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেতখা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের কোনও গাড়ি কলকাতার উদ্দেশ্যে যাচ্ছে বুঝলেই সেই সমস্ত গাড়ি আটকে দিচ্ছে পুলিশ।

রাজ্য়ের বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, একাধিক হিংসায় আগুন জ্বলছে বাংলায়। বহু জায়গায়ে বাস জ্বালিয়ে দিয়েছে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ। বিক্ষোভকারীদের রোষের মুখে প্ড়েছে ট্রেন। বহু জায়গায় আটকে দেওয়া হয়েছে রেললাইন। ট্রেনের পথ আটকে চলেছে ভাঙচুর। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে বাস। আগুন জ্বলেছে স্টেশনে স্টেশনে। গতকালই হাওড়ায় বিক্ষোভকারীদের বোমায় আহত হয়েছেন ডিসি হেডকোয়ার্টার। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি তিনি। এদিন হাওড়া ময়দান থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। তাই নতুন করে ঝুঁকি নিতে চায়নি কলকাতা পুলিশ।