তখন সদ্য লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণা হয়েছে। তৃণমূল ও বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে চেহারা নেয় উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির ন্যাজাট। সংঘর্ষে মারা যান তিনজন, এখনও নিখোঁজ ১ জন। সেই ঘটনায় সোমবার পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। ২৫ নভেম্বরের মধ্য়ে রিপোর্ট চেয়েছে বিচারপতি থোট্টাথিল ভাস্করণ নায়ার রাধাকৃষ্ণণ ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। সেদিনই মামলার পরবর্তী শুনানি।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ জুন। ঘটনাস্থল সন্দেশখালির ন্যাজাটের হাটখালি বাজার এলাকা। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দাবি, সেদিন হাটগাছি বাজারে দলের বুথস্তরের একটি বৈঠক ছিল। বৈঠকের পর যখন মিছিল করছিলেন তৃণমূলকর্মীরা, তখন মিছিলে হামলা চালায় বিজেপিআশ্রিত দুষ্কৃতীরা। গুলি করে খুন করা হয় শাসকদলে কর্মী কায়ুম মোল্লাকে।  এদিকে বিজেপির পালটা দাবি, হাটগাছি বাজারে সভা করার বিজেপির পতাকা খুলছিলেন তৃণমূলকর্মীরাই। এই নিয়েই দুই দলের কর্মীদের মধ্যে বচসা বাধে। গেরুয়াশিবিরের অভিযোগ, তাদের দলের দুই কর্মীকে গুলি করে খুন করেছে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। দেবদাস মণ্ডল নামে এক বিজেপি কর্মী এখনও নিখোঁজ।

সন্দেশখালিতে সংঘর্ষের পর পাঁচ মাস কেটে গিয়েছে। নিখোঁজ ছেলের সন্ধান পেতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন দেবদাসের বাবা বাসুদেব মণ্ডল। মামলার শুনানি চলছে বিচারপতি থোট্টাথিল ভাস্করণ নায়ার রাধাকৃষ্ণণ ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে। সেই মামলাতেই সোমবার পুলিশের রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট।