পুলিশ বলছে তদন্ত চলছে,অথচ এখনো পর্যন্ত হাসিন জাহানকে বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।  হাসিনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ এতদিনে কী তদন্ত করেছে এক সপ্তাহের মধ্যে কোর্টের কাছে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক।

বিক্ষুব্ধ জনতা আইনের উর্ধ্বে নয়,বিশ্বভারতীর পাঁচিল ভাঙাকাণ্ডে মন্তব্য় হাইকোর্টের

বিচারপতি বসাকের এজলাসে মঙ্গলবার  শুনানির সময় মামলাকারীর আইনজীবী আশিস কুমার চৌধুরী বলেন, হাসিন জাহানকে এখনও বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পুলিশকে এর আগে নম্বরগুলি দেওয়া হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি৷ কিন্তু সরকারি আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তদন্ত চলছে৷ যদিও হাসিনের আইনজীবী বলেন, তদন্তই যদি চলছে তবে এখনো অব্দি হমকি ফোন আসছে কেন? সন্তানকে নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন তিনি। 

মোদীর মন্ত্রিসভায় রদবদল, বাংলা থেকে জায়গা পেতে পারেন তিন সাংসদ

বস্তুত, গত ৫  অগস্ট অযোধ্যায় রাম মন্দিরের জন্য ভূমি পুজো হয়। সেই বিষয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে একটি পোস্ট করেন হাসিন জাহান।
তারপর থেকেই ভারতীয় ক্রিকেট দলের পেস বোলার মহম্মদ শামির স্ত্রী হাসিন জাহানকে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ মারফত প্রাণে মেরে ফেলার হুমকির পাশাপাশি বিভিন্ন কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন হাসিন। 

রায়গঞ্জে ডুবে গেছে গ্রামের পর গ্রাম,৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক এখন জলপথ

দুষ্কৃতীরা তাঁর ওপর নজরদারি চালাচ্ছে বলেও হাসিনের দাবি। গত ৯ আগস্ট লালবাজারের সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন হাসিন৷ ১১ অগস্ট লালবাজার থেকে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়। নিজের শিশুকন্যাকে নিয়ে আতঙ্কে আছেন জানানো সত্ত্বেও লালবাজার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ।  এরপর হুমকি আরও বাড়তে থাকলে গত ২৮ আগস্ট লালবাজারে একটি মেইল করেন তিনি । তাসত্ত্বেও লালবাজার কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বলে দাবি। তাই সন্তান এবং নিজের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।