সুদীপ্ত সেনের চিঠি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য। প্রেসিডেন্সি জেলে বসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে চিঠি লেখেন সারদা কর্তা। জেলে বসে লেখা সুদীপ্ত সেনের চিঠি এই মুহূর্তে তাঁদের তদন্তের আওতায় পড়বে না বলে মনে করেছেন সিবিআই কর্তারা।

আরও পড়ুন, আজ মমতার সভা মেদিনীপুরে, শুভেন্দুকে নিয়ে কী বার্তা, অপেক্ষায় সারা বাংলা

 

 

কেন ধন্ধে সিবিআই


সুদীপ্ত সেনের চিঠি নিয়ে  সিবিআই কর্তাদের দাবি, এই চিঠি সরাসরি সিবিআইকে লেখা হয়নি। এরফলে, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরেরে ভিত্তিতে তা তদন্তের আওতায় নিতে পারে না এই সংস্থা। তবে প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে সরকারিভাবে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য সিবিআইকে অনুরোধ করলে তখন তা বিবেচনা করে দেখা হবে। এছাড়া আদালত নির্দেশ দিলেও এনিয়ে সিবিআই তদন্ত হতে পারে। তদন্ত শুরুর আগে সরকারি ভাবে জেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হবে যে সত্য়িই ওই চিঠি সুদীপ্ত সেন লিখেছেন কিনা।

 

 

আরও পড়ুন, মন টানছে মাইথনে, আজই বেরিয়ে পড়ুন, রইল কলকাতার কাছেই ঘুরতে যাওয়ার নতুন ৫ ঠিকানা

 

কী লিখেছিলেন সুদীপ্ত সেন ওই চিঠিতে

প্রসঙ্গত, চিঠির প্রতিলিপি অনুযায়ী, রাজ্য়ের চার জন শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন সুদীপ্ত সেন। সম্প্রতি সারদা চিটফান্ডকান্ডের তদন্তে সিবিআই-এর হাতে এসেছিল একটি অডিও ক্লিপিংস। সেখানে একাধিক কন্ঠস্বর শোনা যায়। এবার চিঠি লিখে বোমা পাঠালেন সুদীপ্ত সেন। প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি লিখেছেন মুকুল রায় থেকে শুরু করে শুভেন্দু অধিকারি, অধীর চৌধুরি, বিমান বসু, সুজন চক্রবর্তীর নাম। এরপরেই তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। চিঠিতে সুদীপ্ত সেন দাবি করেছেন, 'কংগ্রেসের অধীর চৌধুরি তাঁর কাছ থেকে ৬ কোটি টাকা নিয়েছেন। এবং ৯ কোটি টাকা নিয়েছেন বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী। ২ কোটি টাকা নিয়েছেন বিমান বসু।' পাশাপাশি আরও লিখেছেন যে মুকুল রায় এতটাই টাকা নিয়েছেন যে সুদীপ্ত সেন মনেই করতে পারছেন না। তবে, পুরোটাই সাজানো বলে দাবি করেছে বাম-বিজেপি-কংগ্রেস। অধিকাংশের মন্তব্য এটা ভোটের মুখে নতুন কারসাজি।