রাজ্য, রাজধানী ছাড়িয়ে এবার নারদ মামলার জিজ্ঞাসাবাদের পরিধি ছড়াল বিহার পর্যন্ত। নারদ স্টিং অপারেশন-এর জট ছাড়াতে এবার বিহারের এক সরকারি আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। পাটনার ওই সরকারি আধিকারিকের নাম সতীশ নায়েক। 

আইপিএস মির্জার পর এবার আরও এক সরকারি আধিকারিক। নারদকাণ্ডে তলব করা হল পাটনার সরকারি আধিকারিক সতীশ নায়েককে। বুধবার নিজাম প্য়ালেসে ডেকে পাঠানো হয় তাঁকে। দফায় দফায় চলে জিজ্ঞাসাবাদ। সূত্রের খবর, নারদ স্টিং অপারেশনে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ম্যাথু স্যামুয়েলের থেকে টাকা নেওয়ার সময় পাশে ছিলেন সতীশ নায়েক।  তাঁকে প্রশ্ন করে শুভেন্দুর তল পেতে চাইছে সিবিআই। রাজ্য রাজনীতির কারবারীরা বলছেন, শুভন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ট হিসাবেই পরিচিত বিহারের এই আমলা। 
এদনি সতীশের বয়ান রেকর্ড করতেই তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই। 

রাজ্য রাজনীতির সাম্প্রতিক চিত্র বলছে, ইতিমধ্যেই নারদ মামলায় এসএমএইচ মির্জাকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তাঁর অভিয়োগের ভিত্তিতে জেরা করা হয়েছে বিজেপি নেতা মুকুলব রায়কে। মির্জার অভিযোগ, ,ম্যাথুর কাছ থেকে নেওয়া টাকা মুকুল রায়ের কাছে দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই মির্জার বয়ান মিলিয়ে নিতে মুকুলের এলগিন রোডের বাড়িতে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়েছে সিবিআই। প্রতিটি পদক্ষেপের ভিডিয়ো রেকর্ডিং করা হয়েছে। যদিও মুকুল জানিয়েছেন, নারদ স্টিং অপারেশনে তাঁকে কোনও টাকা নিতে দেখা যায়নি। বিজেপি নেতার এই দাবি অবশ্য ঠিক বলেই মানছে সিবিআই। তবে মির্জার দাবি, ভিডিয়োতে টাকা নিতে না দেখা গেলেও মুকুলকে নারদকাণ্ডের টাকা পৌঁছে দিয়েছেন তিনি।

আগে বিষয়টি নিয়ে মুখ না খুললেও নারদ মামলা নিয়ে প্রকাশ্যেই কথা বলেছেন তৃণমূলের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। ক্যামেরার সামনেই তিনি জানান, নারদকাণ্ডে তিনি টাকা নিয়েছেন, তবে তা পার্টি ফান্ডের টাকা।প্রত্যেক দলই এই টাকা নিয়ে থাকেন। যার জন্য রসিদ দিয়েছেন তিনি। এর মদ্যে কোনও অস্বচ্ছতা দেখতে পাচ্ছেন না তিনি। সম্প্রতি নারদ মামলার তদন্তে একে একে ডেকে পাঠানো হয়েছে তৃণমূলের সাংসদ মন্ত্রীদের। এই মামলার তদন্তের জন্য লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে বিশেষ অনুমতি নিয়েছে সিবিআই।