আপাতত স্বস্তি পেল রাজ্য় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় প্রতিনিধি দলের কাছে প্রশংসা পেল বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় দলের মাপকাঠিতে 'দারুণ' বলা হয়েছে হাসপাতালকে। 

রাজ্য়ের সাম্প্রতিক চিত্র বলছে,করোনা নিয়ে বিরোধীদের বাক্যবানে 'ব্যাকফুটে' চলে গিয়েছিল মমতার সরকার। করোনা নিয়ে অডিট কমিটি থেকে শুরু করে পিপিই ও মাস্ক বিলি নিয়ে ফাঁপড়ে পড়তে হয়ে রাজ্য় সরকারকে। বহু জায়গায় পিপিই ও মাস্ক না পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেয় জুনিয়র ডাক্তাররা। কদিন আগেই প্রায় ২০০ জুনিয়র চিকিৎসক পিপিই না পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। খোদ কোভিড হাসপাতাল এম আর বাঙ্গুরেও একই পরিস্থিতি হয়।

সেখানেও করোনা চিকিৎসার নিরাপত্তা সরঞ্জাম বা পিপিই ও এন৯৫ মাস্ক না পেয়ে বিক্ষোভ দেখান কর্তব্যরত নার্স ও স্বাস্থ্য়কর্মীরা। এমনকী বাঙ্গুরে এক যুবকের ভিডিয়ো তোলপাড় করে দেয় রাজ্যের করোনা চিকিৎসার ছবি। যেখানে দেখা যায়, মৃতদেহের সঙ্গে থাকতে হচ্ছে করোনায় সন্দেহভাজনদের। সেই ভিডিয়ো পোস্ট করেন খোদ বিজেপির নেতারা। কাকতালীয়ভাবে এরপরই রাজ্য়ে কেন্দ্রীয় দল পাঠায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। প্রথম দলের সঙ্গে 'শঠে শাঠ্যাং' পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় রাজ্য়ের। ১৪ দিন রাজ্য়ে থাকার পর নবান্ন বেশিরভাগ কেন্দ্রীয় দলের চিঠির উত্তর  দেয়নি বলে জানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের টিম।

যদিও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে একেবারে উল্টো ঘটনা ঘটছে। জানা গিয়েছে, বেলেঘাটা আইডি পরিদর্শনের পর আইডি-কর্তৃপক্ষকে একটি নোট দেন কেন্দ্রীয় দলের দুই চিকিৎসক। স্বাস্থ্য দফতরের খবর, নোটে লেখা হয়েছে, বেলেঘাটা আইডি ভালো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এমনকী চাওয়া মাত্রই করোনা সংক্রান্ত সব তথ্য় দেওয়া হয়েছে তাদের। রোগীদের দেখভাল, ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি  ছিল না।  এমনকী বাঙুরেও পরিষেবার মান আগের থেকে উন্নত হয়েছে বলে ধারণা দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় দলের।