কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে টানা ৫ দিন লড়াই করার পর বোমায় জখম শিশুর মৃত্যু হল।বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে ঘুটিয়ারি শরিফে গুরুতর জখম হয়েছিল তিন শিশু। তার মধ্য়ে বছর ছয়ের জুলফিকার লে  নামের ওই জখম শিশু শেষ অবধি প্রাণ হারাল।

আরও পড়ুন, বেতন বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করল বিদ্যুৎ দপ্তর, নয়া বেতনক্রমের আওতায় অবসরপ্রাপ্তরাও

সূত্রের খবর, গত মঙ্গলবার বিকেলে ঘুটিয়ারি শরিফের হালদার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আরও দুই শিশু মোহিত সেখ ও রহিত সেখের সঙ্গে প্রতিদিনের মতোই বাড়ির সামনে ফাঁকা মাঠে খেলাধূলা করছিল জুলফিকার। খেলতে খেলতে তাদের নজরে পড়ে প্রতিবেশী রাজ্জাক সেখের উঠোনে সুতুলি জড়ানো একটি বল পড়ে আছে। এরপর শিশুটি বল ভেবে বস্তুটি হাতে নিয়ে নাড়াচড়া করতেই হঠাৎই বিকট শব্দে ফেটে যায়। বিস্কোরণের তীব্রতায় ওই তিন শিশুই রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জখম শিশুদের উদ্ধার করে প্রথমে ঘুটিয়ারি শরিফের ক্যানিং-১ ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে তিন শিশুর অবস্থা অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাদের কলকাতায় স্থানান্তরিত করেন। রবিবার সকালে জুলফিকারের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন ক্যানিং পশ্চিম কেন্দ্রের বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল। তিনি বলেন,  'পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। মৃত শিশুর পরিবারের সদস্যরা যাতে সব ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা পায় সেটাও দেখা হবে।'

আরও পড়ুন, সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ শহরে, যে কোনও মুহুর্তে ঝেঁপে আসতে পারে বৃষ্টি


অপরদিকে, যার বাড়ির উঠোনে ওই বোমাটি পড়ে ছিল অভিযুক্ত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী সেই রাজ্জাক সেখকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ির কাছে একটি পুকুর পাড় থেকে বেশ কিছু বোমাও উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি,ঘুটিয়ারি শরিফ এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও নাশকতামূলক কাজের জন্য বোমা মজুত করেছিল ধৃত রেজ্জাক। তাই রেজ্জাক এখন পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।  

আরও পড়ুন, ফের বাড়তে চলেছে দুধের দাম, মধ্যবিত্তের কপালে ভাঁজ