ফের বাড়তে চলেছে দুধের দাম। গত বছর এপ্রিল থেকেই বেড়ে চলেছে দুধের দাম। এরই মধ্যে দুধের দাম আরও ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যার জেরে    মধ্যবিত্তের কপালে হাত। বেশিরভাগ ডেয়ারি ফার্মই র দুধের ঘাটতি থাকতে স্কিমড দুধ পাউডার ব্যবহার করে থাকে। আর সেক্ষেত্রে শেষ তিন মাসে স্কিমড মিল্ক পাউডারের দামও বেড়েছে। 

আরও পড়ুন, বেতন বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করল বিদ্যুৎ দপ্তর, নয়া বেতনক্রমের আওতায় অবসরপ্রাপ্তরাও

সূত্রের খবর, ডিসেম্বরেই কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় ৫ থেকে ৬ টাকা বেড়েছিল। সেসময় ডবল টোনড দুধ বিক্রি হয়েছিল ৪০-৪৩ টাকা লিটার হিসেবে। পূর্ব ভারত, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গে র দুধের ঘাটতি রয়েছে আর আর এখানে স্কিমড দুধ পাউডারের ওপর নির্ভরশীল। বেশিরভাগ ডেয়ারি ফার্মই র দুধের ঘাটতি থাকতে স্কিমড দুধ পাউডার ব্যবহার করে থাকে। আর সেক্ষেত্রে শেষ তিন মাসে স্কিমড মিল্ক পাউডারের দাম প্রায় ১০০ শতাংশ বেড়েছে।

আরও পড়ুন, ফের মুসুরির ডালের আড়ালে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচার, গ্রেফতার ৪

ভারতের প্রথম সারির দুধের জোগানদাতা আমুলও দুধের দাম বাড়িয়েছে। লিটার প্রতি ২ টাকা করে দাম বাড়ানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও গুজরাত, দিল্লি এনসিআর ও মহারাষ্ট্রে আমুলের দুধের দাম বেড়েছে।গুজরাত কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন আমুল ব্র্যান্ডের নামে ভারতীয় বাজারে ডেয়ারি পণ্য বাজারজাত করে। সংস্থার তরফে ডিসেম্বর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গুজরাতের আহমেদাবাদ ও সৌরাষ্ট্রের বাজার ছাড়াও দিল্লি-এনসিআর, পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্রে ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ থেকে নয়া দাম ধার্য হয়েছে। জিসিএমএমএফ-র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটারে ২ টাকা করে দাম বাড়ছে।

আরও পড়ুন, পানীয় জলের সঙ্কটের মুখে শহর, নতুন নিয়ম তৈরি করছে কলকাতা পৌরসভা