চারিদিকে করোনা আতঙ্কের মধ্যে গতকাল ছিল অন্নপূর্ণা পুজো। প্রায় সাত থেকে আটটা অর্ডার দেওয়ার পরে কেউ অন্নপূর্ণা ঠাকুর নিয়ে যাচ্ছে না। পুজোর ঠাকুর তৈরি করে মাথায় হাত  দক্ষিণ বেহালা রোডের বাসিন্দা পটুয়া গৌর পালের ।

তাঁর বক্তব্য অ্যাডভান্স দিয়েছিল লোকজন, সেই দিয়ে ঠাকুর বানিয়ে নিয়েছে। এমনকী ঘরের জমানো টাকা ও ইনভেস্ট করে দিয়েছি। এখন ঠাকুর কেউ নিচ্ছে না,উল্টে  টাকা ফেরত চাইছে। কীভাবে পেট চালাবে ভেবে পাচ্ছে না। সামনে গণেশ পুজো,দুর্গা পুজার জন্য ব্যাংক লোন করে প্রচুর কাঠামো রেডি করেছে। এই পটুয়া কী করবে এখন ভেবে পাচ্ছে না। সংসার চালাবার জন্য পয়সা নেই। তাদের কীভাবে দিন চলবে তারা জানেনা, সাংঘাতিক অসুবিধার মধ্যে দক্ষিণ বেহালার গৌর পাল।

করোনা আতঙ্কে ইতিমধ্য়েই ব্য়বসা লাটে উঠেছে একাধিক সেক্টরে। নিত্য় প্রয়োজনীয় দ্রব্য় বাদে নতুন করে কিছুর দিকে ঝুঁকছে না রাজ্য়বাসী। মাসের বেতন পাবে কিনা তা নিয়েই সংশয় শুরু হয়েছে বেসরকারি ক্ষেত্রে। তাই নতুন করে পুজোর দিকে ঝুঁকছে না অনেকেই। নতুন করে বাধা সৃষ্টি করেছে লকডাউন। করনোর জেরে একসহ্গে একাধিক লোকের সমাবেশে নিষধাজ্ঞা জারি করেছেন সরকার। তাই পুজোকে কেন্দ্র করে জমায়েত করতে চাইছেন না অনেকেই । যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে প্রতিমা শিল্পীদের।

রাজ্য়ের বর্তমান পরিসংখ্য়ান বলছে, ইতিমধ্য়েই রাজ্য়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩ জন। মৃতের সংখ্য়া তিন। তবে আগামী দুই সপ্তাহ খুব কঠিন বলে জানিয়েছেন খোদ মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।