করোনা ভাইরাসের কোপে হোলির আগের রবিবার ৷ ব্রয়লার মুরগিতে করোনার কোনও প্রভাব পড়েনি বলে ব্যানার টাঙিয়েও লাভ হচ্ছে না। ৫০ টাকা কেজি উল্লেখ করে মাইকিং করেও খদ্দেরদের ভরসা দিতে পারছে না মুরগি মাংসের দোকানের মালিকেরা ৷ অন্যদিকে খাসি মাংসের প্রচার না করেও লম্বা লাইন খদ্দেরদের ৷ সুযোগ বুঝে সাতশো টাকা কেজি দরে বিক্রি শুরু খাসির  মাংস ৷ মেদিনীপুর শহরে সাত  সকাল থেকে হোলির আগের রবিবার ছিল এমনই ৷ 

মাথার ওপর পার্থ, শোভনের জায়গায় পুরভোটের দায়িত্বে এলেন রত্না

অন্যান্য জেলার সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতেও করোনা গুজবে ব্রয়লার মাংসে পড়ল ব্যাপক প্রভাব ৷ হোলির আগের দিনের রবিবার থেকে ছুটির মরশুম, এদিন থেকেই আমিষ প্রিয় বাঙালির ঘরে ঘরে সাত সকালেই প্রবেশ করে যায় মুরগির মাংস ৷ কিন্তু তাতে এবার ভাটা ৷ ক্রেতা থেকে বিক্রেতা সকলেরই মাথায় হাত করোনার কারণে ৷  মেদিনীপুর শহরের রাজাবাজার ,পঞ্চুরচক,গোলকুয়াচক এলাকাতে সব থেকে বেশি ব্রয়লার মুরগি মাংস বিক্রি হয় ৷ সার দিয়ে এই এলাকাগুলিতে মাংসের দোকান রয়েছে ৷ 

প্রেমিকাকে চিরবিদায় জানিয়ে আত্মঘাতী যুবক, তদন্তে নিউটাউন থানার পুলিশ

রবিবার সকাল থেকেই এই বাজারগুলিতে মাইকিং-এর দাপটে কান ঝালাপালা ৷ সকাল থেকে ব্রয়লার মুরগি মাংসের দোকানের কর্মীরা মাইকিং শুরু করেছে-কাটা মাংস পঞ্চাশ টাকা, ভাইরাসহীন মাংস নিশ্চিন্তে খান৷  দোকানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে পোলট্রি ফেডারেশন এর পক্ষ থেকে দেওয়া অভয়বাণী ব্যানার ৷ এমন চিত্র মেদিনীপুর শহর জুড়ে ৷ তা সত্ত্বেও ভরসা পাচ্ছে না খদ্দেররা ৷ 

রাজ্য় রাজনীতিতে শোরগোল , জেপি নাড্ডার ছেলের বিয়েতে বিমল গুরুং-রোশন গিরি

রবিবার সকাল থেকেই উল্টো চিত্র খাসি মাংসের দোকানগুলিতে ৷ লম্বা লাইন দিয়ে বিভিন্ন খাসি মাংসের দোকানে ভিড় দেখা গিয়েছে ৷ সুযোগ বুঝে মেদিনীপুর শহরের খাসি মাংসের দোকানে খাসি মাংস প্রতি কেজি করা হয়েছে সাতশো টাকা ৷ 

এমন চিত্র হোলির রং এর দোকানেও ৷ দোকানদাররা কয়েকদিন আগে থেকেও রং এর পসরা নিয়ে বসলেও করণা গুজবে তেমন কিনছেন না বলেই দাবি দোকানদারদের ৷ মেদিনীপুর শহরের বিভিন্ন বাজারে বসা দোকানে তেমন ভিড় নেই  ৷ দোকানদাররা জানান,সকলের ধারণা চিনের তৈরি সামগ্রী ৷ তাই তা কেনার ইচ্ছা নেই ৷ করোনা গুজবে পিচকারি পর্যন্ত কিনছেন না অনেকে ৷