করোনা ভাইরাস। নামটা শুনলেই প্রত্যেকেই যেন আতঙ্কিত। করোনা আতঙ্কে ইতিমধ্যেই ভয়ে কাঁপছে চিন। শুধু চিন বললে ভুল হবে এই মারণ ভাইরাসের ভয়ে কাঁপছে কলকাতার চিনাপাড়া। চিনাপাড়া নামটা অনেকেই জানেন।  এই চিনা পাড়া হল 'চায়না টাউন'। চায়না ফ্লেভারের খাবার খেতে অনেকেই ঢু মারেন এই চিনা পাড়ায়। আবার অনেকেরই নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে এই চিনাপাড়ায়। করোনা ভাইরাসের খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই আতঙ্কে দিন কাটছে কলকাতার চিনা পাড়ার বাসিন্দাদের। নিজের পরিবার-পরিজনদের কথা ভেবে রীতিমতো উদ্বিগ্ন কলকাতার চিনা পড়ুয়ারা। এই না কোনও খবর আসবে এই ভেবেই আতঙ্কে দিন কাটছে চিনাবাসীদের।

আরও পড়ুন-বিদ্যাদেবীর বরাভয় পেতে গেলে বসন্ত পঞ্চমীতে ভুল করেও এই কাজগুলি করবেন না...

মুহূর্তের মধ্যে একজনের থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস।  মানুষের নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের সঙ্গেই ছড়িয়ে যাচ্ছে এই রোগের জীবানু। কিন্তু এই করোনা ভাইরাস আসলে কী। আতঙ্কের আর এক নাম করোনা ভাইরাস। করোনা ভাইরাসের বাহক হল মানুষ। মানুষের সংস্পর্শেই সংক্রমিত হচ্ছে এই করোনা ভাইরাস । দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যা নিশ্চিত করলেন চিনের চিকিৎসকরা। ইতিমধ্যেই করোনা নিয়ে চিনে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।  এর মধ্যেই  প্রাণ হারিয়েছে ১০৬ জন মানুষ। 

 

নিঃশব্দেই শরীরে দানা বাঁধছে এই মারণ রোগ।  করোনা ভাইরাস যখন ধরা পড়বে তখন মৃত্যুর দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবেন আপনি। ভয়াবহ এই মারণ রোগ আটকাতে ইতিমধ্যেই তৎপর সমস্ত দেশ। করোনা ভাইরাস যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে তা নিশ্চিত করতে ইউহান সহ ১৩ টি শহরকে বাকি দেশের থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই  সংক্রমণ না থাকলেও চিন ফেরত ব্যক্তিরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। জার্মানিও নিজেদের নাগরিকদের চিন সফরে যেতে বারণ করে দিয়েছে। এছাড়াও শ্রীলঙ্কাতেও বছর ৪০-এর এক মহিলার থেকে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। গত সপ্তাহেই চিনের হুবেই থেকে তিনি শ্রীলঙ্কা এসেছিলেন। যত দিন যাচ্ছে ততই যেন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ভাইরাসে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা।