দেওয়ালে ফাটল ক্রমশ চওড়া হচ্ছে মেডিক্যাল কলেজে মূল ভবন থেকে সরানো হল রোগীদের আতঙ্ক ছড়িয়েছে হাসপাতালে বিপাকে  রোগীর পরিজনেরা

দেওয়ালে ফাটল ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। মেডিক্য়াল কলেজের শতাব্দীপ্রাচীন এমসিএইচ বিল্ডিংয়ে ১৫০টি বেড খালি করে দিল কর্তৃপক্ষ। রোগীদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে পাশের গ্রিন বিল্ডিং-এ। আতঙ্ক ছড়িয়েছে হাসপাতালে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মেডিক্যাল কলেজের ঐতিহ্যবাদী মূল ভবনের দেওয়ার ফাটল ধরেছিল আগেই। তখনও কোনওমতে জোড়াতাপ্পি দিয়ে ফাটল বুজিয়েই কাজ চালানো হচ্ছিল। কিন্তু এবার এমসিএইচ ভবনের একতলা ও দোতলার মেডিসিন বিভাগ, তিনতলায় হেমাটোলজি বিভাগ ও চারতলাতেও দেওয়ালে চিড় ধরেছে বলে জানা গিয়েছে। বস্তুত, একতলা ও দোতলার শৌচাগারের দেওয়ালেও ফাটল ধরেছে, ছাদ থেকে খসে পড়ছে সিমেন্টের চাঙড়! অন্তত তেমনই দাবি রোগীর পরিজনদের। এই পরিস্থিতিতে আর ঝুঁকি নেয়নি মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তাজনিত কারণে সোমরাত থেকে এমসিএইচ ভবনের থেকে রোগীদের অন্যত্র সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু হয় বলে জানা দিয়েছে। যদিও দেওয়ালে ফাটলের কারণে রোগীদের সরিয়ে ফেলার কথা স্বীকার করতে চাননি হাসপাতালে সুপার ইন্দ্রনীল বিশ্বাস।

জানা গিয়েছে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এমসিএইচ ভবনে তিনশোর কাছাকাছি রোগী ভর্তি থাকেন। শুধু তাই নয়, হেমাটোলজি, কার্ডিওলজি, মেডিসিন-সহ একাধিক গুরত্বপূর্ণ বিভাগ চলে এই ভবনে। ১৫ অক্টোরব প্রথম এই এমসিএইচ ভবনের দেওয়ালে ফাটল দেখতে পাওয়া যায়। তড়িঘড়ি সেই ফাটল বুজিয়েও ফেলা হয়। কিন্তু ফের সেখানেই চিড় ধরতে শুরু করে বলে জানা গিয়েছে।

কিন্তু মেডিক্যাল কলেজের মূল ভবনের দেওয়ালে ফাটল ধরল কেন? পূর্ত দপ্তরের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বলা হয়েছে, মূল ভবন এবং ছাত্রাবাস ও অতিথিশালার মাঝখানে ক্যানসার চিকিৎসার জন্য একটি দশতলা বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে। খোঁড়াখুঁড়ির সময়ে সাধারণত পাশের বিল্ডিংয়ের বাইরে লোহার বার পুঁতে খাঁচা তৈরি করে গার্ড দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে পূর্ত দপ্তর তেমন কিছু করেনি বলে অভিযোগ। সেকারণেই মেডিক্যাল কলেজের মূল ভবনের দেওয়ালে ফাটল ধরেছে।