ফের তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হত্যার অভিযোগ আনলেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মেদিনীপুরের সাংসদের অভিযোগ, গ্রাম্য বিবাদের নাম দিয়ে গ্রামে গঞ্জে রাজ্নৈতিক হত্যা করছে তৃণমূল। শাসক দলকে হুমকি দিয়ে দিলীপবাবু বলেন , এর পরিণাম ভালো হবে না। 

শনিবার দাঁতনের তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে মৃত বিজেপি কর্মী পবন জানার দেহ নিয়ে বিজেপি জেলা কার্যালয় হাজির হল বিজেপি নেতা কর্মীরা। দেহ নিয়ে মেদিনীপুর শহরে একটি বাইক মিছিল ঘুরিয়ে জেলা কার্যালয়ে তাকে হাজির করা হয়। সেখানে তার দেহে মালা দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপি জেলা নেতাকর্মীরা।এখান থেকেই দেহ নিয়ে দিলীপ ঘোষ রওয়ানা দেন দাঁতন এর উদ্দেশ্যে।  

উল্লেখ্য, গত তিনদিন আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাতনে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ ৬জন জখম হয়েছিলেন উভয়পক্ষের। পরে পবন জানা নামে এক যুবকের মৃত্যু হয় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বিজেপি দাবি করে পবন জানা তাদের কর্মী ছিল। তার দেহ ময়নাতদন্ত হয়ে শনিবার সকালে নিয়ে আসা হয় মেদিনীপুর শহরে বিজেপি জেলা কার্যালয়ে।

এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন-দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাতে এই ধরনের রাজনৈতিক খুন অব্যাহত রয়েছে। এটা ১০৩ নম্বর খুন। এই হিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। তৃণমূল এগুলো গ্রাম্য বিবাদ বলছে। আসলে গ্রাম্য বিবাদের নাম করে রাজনৈতিক হত্যা কে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এর পরিণাম ভুগতে হবে।

পরিবর্তনের সরকার ক্ষমতায় এসে 'বদলা নয়, বদল চাই' স্লোগান তুলেছিলেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। কিন্তু রাজ্য়ে পালাবদল হলে সেই পথে হাঁটবে না বিজেপি। সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষের ফেসবুক পোস্টে ফুটে উঠেছে সেই স্লোগান। যেখানে লেখা রয়েছে- 'বদলাও হবে, বদলও হবে'। স্বাভাবিকভাবেই দিলীপ ঘোষের এই পোস্ট ঘিরে  শুরু হয়েছে বিতর্ক।

রাজ্য়ের রাজনীতির সাম্প্রতিক ছবি বলছে,মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র  হত্যার অভিযোগ করেছে বিজেপি। দলের রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ বহু জায়গায় বলেছেন,জোর করে পুলিশ দিয়ে তাদের কর্মীদের জেলে ঢোকানো হচ্ছে। বিজেপি করলেই গাজার মামলা দিয়ে গ্রেফতার করছে পুলিশ। অথচ মুখ্য়মন্ত্রী বলছেন বদলা নয় বদল চান।