রাজ্য়ের ২৯৪টা বিধানসভা আসনের মধ্য়ে ১৪০টি আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরবর্তী বৈঠকে বাদ বাকি কেন্দ্রগুলি নিয়ে আলোচনায় বসবে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি।  দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরে এমনই জানালেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি মেদিনীপুরের সাংসদ জানান, অগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ফের রাজ্য়ের নির্বাচনী রণকৌশল নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক হতে পারে।  

দিলীপবাবু বলেন, এটা কোর কমিটির মিটিং হওয়ায় ছোট আকারে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। পর্যালোচনায় রাজ্য়ের আগামী বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে। কীভাবে এগোলে দল তার নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে তা উঠে এসেছে বৈঠকে। এটা প্রথম রাউন্ড হয়েছে। বৈঠকে কিছু আলোচনা যা হয়েছে যা আগামী দিনে রিভিউ করা হবে। শীঘ্রই ফের দিল্লিতে সেই রিভিউ মিটিং হতে পারে। 

রাজ্য়ের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাস বলছে, কদিন আগেই বিজেপির দিল্লির বৈঠক নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছিল রাজ্য় রাজনীতি। মাঝপথে দিল্লির মিটিঁং ছেড়ে মুকুল রায় কলকাতায় ফিরে আসায় শুরু হয় জল্পনা। অনেকেই বলতে থাকেন,বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফরিতে চলেছেন মুকুল। যদিও  কলকতা বিমানবন্দরে নেমে নিজেই মুকুল রায় জানান, চোখের চিকিৎসার জন্য় কলকাতায় আসতে হয়েছে তাঁকে। আগে থেকেই চিকিৎসকের তারিখ দেওয়া থাকায় চলে আসতে হয়েছে তাঁকে।

পরে সাংবাদিক বৈঠকে মুকুলবাবু বলেন, তৃণমূলে ফেরার কোনও প্রশ্নই নেই। তাঁর নামে এই  গুজব যারা রটাচ্ছে তার তদন্ত হওয়া উচিত। বিজেপিতে নাম লিখিয়ে তিনি সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট। এ নিয়ে নতুন করে তাঁর কিছু বলার নেই। যদিও রাজ্য় রাজনীতির কারবারীরা বলছেন, দিলীপ ব্রিগেডের সঙ্গে মতের মিল না হওয়াতেই মাঝপথে কলকাতায় চলে এসেছেন মুকুল। মূলত, অতীতে বাংলার নির্বাচনে বিজেপির  জয়ের যে উল্লেখ করা হয়েছে তাতে প্রাক্তন তৃণমূল নেতাকে কোনও কৃতিত্ব দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে দিলীপ ব্রিগেডের এই বক্তব্য়েই চটেছেন মুকুল রায়।