মিষ্টির দোকানের পর এবার লকডাউনে ছাড় দেওয়া হল ফুলের ব্যবসায়ীদের। বুধবার থেকেই খুলে যাবে ফুলের পাইকারি বাজার। এমনকী পাড়ায় পাড়ায় ফুল নিয়ে বসতে পারবেন বিক্রেতারা। পুলিশ কোনওভাবেই এদের ব্য়বসায় হস্তক্ষেপ করবে না। মঙ্গলবার নবান্নে লকডাউনেও এই ঘোষণা করেন মুখ্য়মন্ত্রী।

রাজ্য়ে করোনায় মৃত বেড়ে ৫ আক্রান্ত ৬৯, খোদ জানালেন মুখ্য়মন্ত্রী..

মমতা বলেন, দুধচাষিদের মতো ফুল নষ্ট হোক সরকার তা চায় না।  তাই ফুলের ব্যবসায়ীদের ও এবার পণ্য পরিষেবার মধ্য়ে দেওয়া হল। আগামীকাল থেকে ফুলের বিক্রেতাদের ফুল আনা-নেওয়ায় পুলিশ কোনও বাধা দেবে না। এখানেই শেষ নয়। মুখ্য়মন্ত্রীর ছাড়পত্রের তালিকায় রয়েছেন বিড়ি শ্রমিকরাও। আপাতত তারাও একসঙ্গে সর্বোচ্চ  সাতজন ঘরের ভিতর বিড়ি বাঁধতে পারবেন। কিন্তু এই সব কিছুই তাদের সোশ্য়াল ডিস্ট্য়ান্সিং মেনে চলতে হবে। 

ওষুধের জন্য় বন্ধু মোদীও শত্র্ু ট্রাম্পের, কেন করোনায় মহৌষধি হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইন...

মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, লকডাউনের জেরে অসংগঠিত  শ্রমিকরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। সেকারণেই বিড়ি শ্রমিকদের লাকডাউনে ছাড় দেওয়ার সিদ্দান্ত নিয়ে পাজ্য় সরকার।তবে কোনওভাবেই সরকারের গাইড লাইনের বাইরে গিয়ে কিছু করা যাবে না। রাজ্য়ের বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, লকডাউনের জেরে অর্থনৈতিকভাবে খারাপ পরিস্থতির মুখে পড়েছেন বিড়ি শ্রমিকরা। রাজ্য়ে সবচেয়ে বেশি  বিড়ি শ্রমিক মুর্শিদাবাদেই দেখা যায়। যানবাহন বন্ধ থাকায় একেবারে থমকে গিয়েছে বিডি়র ব্যবসা। 

কেন্দ্রের পাঠানো পিপিই-র রং হলুদ কেন, করোনাতেও 'গেরুয়াকরণ' দেখছেন মুখ্য়মন্ত্রী.

বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বহুবার জানিয়েছে বিড়ি কোম্পানির মালিকরা। সোশ্য়াল ডিস্ট্য়ান্সিং বজায়  রেখেই কাজ করতে চেয়েছেন তারা। এদিন তাদের সেই আবেদন মেনে নিলেন মুখ্য়মন্ত্রী। নবান্নে প্রেস কনফার্ন্সেই জানিয়ে দিলেন ফুল ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বিড়ি বাঁধতে পারবেন তাঁরাও।