করোনা আতঙ্কে রাজভবনের যাবতীয় অনুষ্ঠান স্থগিত করে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু রাজ্যের পরিস্থিতি কেমন? পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কী পদক্ষেপ করেছে? তা জানতে চান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। 

আক্রান্তদের সংস্পর্শে এলে আর রক্ষে নেই। যিনি সংস্পর্শে আসবেন, তাঁর শরীরেই ছড়িয়ে পড়বে জীবাণু। করোনা সংক্রমণের নিরিখে ভারত এখন দ্বিতীয় ধাপে। হাতে আর মাত্র তিরিশ দিন। এরমধ্যে যদি পরিস্থিতির বদল না ঘটে, সেক্ষেত্রে এদেশে আরও ভয়ঙ্কর আকার নেবে করোনা। অন্তত তেমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। গোটা দেশেই যখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, মারাও  গিয়েছেন তিনজন, তখন এ রাজ্যের কিন্তু একজনের শরীরেও ভাইরাসের হদিশ মেলেনি। তবে করোনা সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন অনেকেই। সোমবার নবান্নে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০ কোটি টাকা তহবিল গড়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি, ১৫ এপ্রিল বন্ধ থাকবে সমস্ত স্কুল, কলেজ, এমনকী,অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রও।

করোনা আতঙ্কে ঢুকে পড়েছে রাজভবনেও। সোমবার টুইট করে তাঁর সরকারি বাসভবনে যাবতীয় অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি জানিয়েছেন, ৩১ মার্চের পর অনুষ্ঠানসূচি নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

 

 

মঙ্গলবার সকালে ফের টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।  টুইটে রাজ্যপাল লিখেছেন, 'এ রাজ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাকে অবগত করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছি।'