দেশের পাশাপাশি রাজ্য়েও গ্রাস করেছে করোনা ভাইারাসের  আতঙ্ক। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে  করোনা ভাইরাস নিয়ে রাজ্য়বাসীকে সচেতন হওয়ার কথা বলেছে স্বাস্থ্য় দফতর। পাশাপাশি করোনা নিয়ে রাজ্য়ের সব হাসপাতালকে প্রয়োজনীয় ব্য়বস্থা নিতে বলে হয়েছে।

করোনা ভাইরাস রুখতে মোদী মাস্ক, কলকাতায় বিলি শুরু বিজেপির

কী রয়েছে এই নির্দেশিকায়,স্বাস্থ্য় দফতরের তরফে বলা হয়েছে, করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা সম্পর্কে প্রতি মুহূর্তে অবগত করাতে হবে স্বাস্থ্য় দফতরকে। এমনকী হাসপাতালে করোনা আক্রান্তের  জন্য় আলাদা ওয়ার্ডের ব্য়বস্থা করতে হবে।  ইতিমধ্য়েই করোনা রুখতে কেন্দ্র ও রাজ্যের তরফে কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। রাজ্যের হেল্পলাইন নম্বরটি হল +৯১১১২৩৯৭৮০৪৬। করোনা সংক্রান্ত যে কোনও তথ্য এই নম্বরে ফোন করে জানা যাবে৷ পাশাপাশি করোনা নিয়ে বিশদে জানতে স্বাস্থ্য দফতরের ওয়েব সাইটেও (https://www.wbhealth.gov.in/contents/corona_virus) বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। করোনা থেকে বাঁচতে কী করবেন কী  করবেন না তাও দেওয়া রয়েছে ওয়েবসাইটে। 

সততার নন- সারদার প্রতীক মমতা, খোঁচা দিলেন বিজেপি নেতা

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন সিং জানান, ভারতে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখা ২৮। এর মধ্যে তিনজন সুস্থ হয়ে গিয়েছেন, চিকিৎসার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা ৩। যাদের গত সপ্তাহেই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহে গোটা দেশে মোট ২৫ জন ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। 

করোনা আতঙ্কে বিকোচ্ছে না মুরগী, ক্রেতার চোখ টানতে পেঁয়াজ ফ্রি

সংক্রমণ রুখতে কোমর বেঁধে নেমেছে কেন্দ্র সরকার। দেশজুড়ে ইতিমধ্যে ৩৩টি করোনা পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরির করার নির্দেশ দেওয়া দিয়েছে সরকার। তবে সংক্রমণ এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এদিকে করোনা ভাইরাসে চিনে মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। আগামী সপ্তাহেই দোল। রঙের খেলায়  এ বছর মারণ করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে পরামর্শ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

সম্প্রতি টুইটারে করোনা নিয়ে মন্তব্য় করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। টুইটে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, নোভেল করোনাভাইরাসের কারণে এই বছর তিনি কোনওরকম দোলের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না।  পৃথিবীজুড়ে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন-একসঙ্গে যাতে বহু সংখ্যক মানুষ দোলের অনুষ্ঠানে যোগ না দেন। এতে করোনাভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা থাকবে।