করোনার উত্তাপের মধ্য়েই দাপিয়ে বেড়াল কালবৈশাখীর ঝোড়ো হাওয়া। ঘন ঘন বাজের মধ্য়েই এলোপাথারি বাজের শব্দ। সব মিলিয়ে লক  ডাউনের কলকাতাকে বাগে আনতে কাজে লামল কালবৈশাখী।

দমদমের মৃতের সঙ্গে বিদেশের যোগ, ইতালি থেকে এসেছিল ছেলে-বউমা.

গতকালই ঘোষণা করা হয়েছিল সরকারি ভাবে। সেই অনুযায়ী সকালে বাজারের জন্য় কিছুটা সময় পেয়েছিল রাজ্য়বাসী। বিকেল চারটের পর থেকেই শুরু হয়ে যায় লক ডাউন। পাঁচ থেকে পুরোপুরি লকডাউনে সামিল হয় রাজ্য়বাসী। কিন্তু খাস কলকাতার বহু জায়গায় দেখা যায়, লক ডাউন বলা সত্ত্বেও দিব্যি দোকান খুলে রেখেছে দোকানিরাা। শ্য়ামবাজারে মাইকিং করার পরও দেখা যাচ্ছিল একই চিত্র। বিধাননগরেও দেখা যাচ্ছিল একাধিক গাড়ি। শেষে বাধ্য় হয়েই গাড়ির চালকদের আটকায় পুলিশ । 

আমেরিকা না ছত্তিশগড়, কোথা থেকে মৃতের করোনা সংক্রমণ

কিন্তু প্রশাসনের কথা না শুনলেও সন্ধ্য়ের দিকে কালবৈশাখীর তাণ্ডবের কাছে ঘরে ঢুকে যায় মহনগরবাসী। খুঁজেও লোক দেখা যাচ্ছিল  না রাস্তায়। কিছু চার চাকার গাড়ি তাও  ডাক্তার বা অফিস ফেরত লোকের। এদিন আগের থেকেই ঝড় বৃষ্টির বিষয়ে কলকাতাবাসীকে সতর্ক করেছিল হাওয়া অফিস।  ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর৷

ছেলের করোনা বাবা-মায়ের শরীরে, হা হুতাশ করছে সন্তান...

দেখা গেল সেই পূর্বাভাসই সত্য়ি  হল।  লক ডাউনের মধ্য়েই কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঝড়-বৃষ্টি দাপিয়ে বেড়াল।  কোথাও গাছ পড়ে গাড়ি আটকে গিয়েছে রাস্তায়। এমনকী শীল পড়েছে কাস  মহানগরে।