অর্জুনের তিরে ছিল পরমাণু অস্ত্র । বিংশ শতাব্দী নয়,রামায়নেও ছিল উড়ন্ত যানের ব্য়বস্থা। এক অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার বিজ্ঞান নিয়ে এমনই মন্তব্য় করলেন রাজ্য়পাল জগদীপ ধনখড়। যদিও রাজ্য়পালের এই বক্তব্য়কেই বিরোধিতার হাতিয়ার  হিসাবে ব্য়বহার করছেন বিরোধীরা। তাঁদের অভিযোগ, বিজ্ঞানেও গৈরিকরণের চেষ্টা করছে বিজেপি।

পরকীয়ায় জড়িয়েছে জামাইবাবু, সন্দেহের বশেই কোপ শালার

আগে শোনা গিয়েছিল ভিন রাজ্য়ের বিজেপি নেতাদের মুখে। এবার খোদ রাজ্য়পালের মুখেও শোনা গেল বিজ্ঞান নিয়ে আজব তত্ত্ব। এক অনুষ্ঠানে জগদীপ ধনখড় বলেন,মাহাভারতে রণক্ষেত্রে  না গিয়েই যুদ্ধের বর্ণনা দিয়েছিলেন সঞ্জয়। এইসবই প্রমাণ করে ভারতকে আর দূরে রাখতে পারবে না বিশ্ব। এখন মানুষ যা নিয়ে চিন্তা করছে, অতীতেই সেইসব জিনিসের সন্ধান পাওয়া গেছে দেশের মহাকাব্য়ে। 

রাজ্য়পালের বৈঠকে যাননি, তৃণমূলের ধর্নামঞ্চে তিন বিশ্ববিদ্য়ালয়ের উপাচার্য

তবে রাজ্য়পালের  এই বক্তব্য়ের তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজ্ঞানী বিকাশ সিংহ। তাঁর মতে, ওরকম একটা পদে বসে এরকম ধরনের মন্তব্য় করা উচিত হয়নি রাজ্য়পালের। উনি বলছেন অর্জুনের তিরে পরমাণু বোমা ছিল। কদিন পরে বলবেন কৃষ্ণের চক্রে হাইড্রোজেন বোমা ছিল। তার মানে জগৎকে পুরোনো নিয়েই থাকতে বলছেন তিনি। ওনার কথা অনুযায়ী বর্তমান সমাজে বিজ্ঞানের নতুন কিছু করছে না। 

অরাজনৈতিক লোকজন দলে, ফের বাবুলকে নিশানা দিলীপের

রাজপালের  এই বক্তব্য়ের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন সিপিএম-এর সাধারণ সম্পাদক সূর্য়কান্ত মিশ্র। টুইটারে তিনি লেখেন,রাজ্যপালের পদে আসীন কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। দুঃখিত, এরূপ জ্ঞানলাভের সুযোগ পাইনি। ইতিমধ্য়েই সোশ্য়াল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ধনখড়ের এই বক্তব্য়। অনেকেই বলছেন, গেরুয়া ব্রিগেডের মুখে এরকম মন্তব্য় নতুন নয়। সাম্প্রতীক অতীতে বিজেপির  রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষের মুখে এরকমই তত্ত্ব শোনা গিয়েছে, যেখানে গরুর দুধে সোনা পাওয়া যায় বলে মন্তব্য় করেন তিনি।