'গুলি মন্তব্য'-এর জেরে তাঁর বিরুদ্ধে জোড়া এফআইআর দায়ের করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।  বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে কি জেলে ঢোকাতে চাইছে রাজ্য সরকার? জল্পনা উস্কে দিলেন খোদ কারামন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। তাঁর মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

প্রকাশ্য় জনসভা থেকে এ রাজ্যে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের গুলির মারার নিদান! বেফাঁস মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ। বিরোধীরা তো বটেই, নিজের দলেও প্রবল সমালোচনা মুখে পড়েছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ-এর মন্তব্য নিয়ে মুখ খুলেছেন আসানসোল-র বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। দলের রাজ্য সভাপতিকে 'দায়িত্বজ্ঞানহীন' বলেছেন তিনি, পাল্টা দিয়েছেন দিলীপও। এদিকে আবার মেদিবীপুরের বিজেপি সাংসদকে পাল্টা গুলি করে মারার কথা বলে বিতর্কে জড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এই রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই মঙ্গলবার বিজেপি-র রাজ্য সভাপতির বিরুদ্ধে দু'টি এফআইআর দায়ের করল তৃণমূল।

আরও পড়ুন: পুলিশি হেফাজতে বিজেপি কর্মী-র মৃত্যু, ফের অগ্নিগর্ভ দিনহাটা

নদিয়ার রানাঘাট থানায় দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন রানাঘাট শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, সাংসদের কাছে যদি আগ্নেয়াস্ত্র থাকে,তাহলে তা বাজেয়াপ্ত করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।  উত্তর চব্বিশ পরগণার হাবড়াতেও দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। বিজেপি-র রাজ্য় সভাপতিকে কটাক্ষ করে  রাজ্যের কারামন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস  বলেন, 'অবিলম্বে ওঁকে সংশোধনাগারে ঢোকানো উচিত। তারপর সংশোধন করে ওঁকে ফেরত পাঠানো হোক।” উল্লেখ্য, তৃণমূল নেতার অভিযোগের ভিত্তিতে  দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় পুলিশ একাধিক মামলা রুজু করেছে বলে জানা গিয়েছে।