পাঁচ দিন ধরে চলছে জুনিয়র ডাক্তারদের  আন্দোলন। কিন্তু এখনও নিজেদের দাবিতে অনড় চিকিৎসকরা। আজ আইএমএ প্রধান শান্তনু সেন-এর এনআরএস কর্তৃপক্ষের বৈঠকে বসার কথা। কিন্তু এনআরএস-এর অধ্যক্ষ-সহ আরও এক শীর্ষকর্তা ইস্তফা দিয়েছেন। ফলে বৈঠক কার সঙ্গে  হবে এবং তার ফলাফল কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। 

অন্যদিকে আজ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠকে বসবেন কি না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। শুক্রবার পাঁচ সিনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এঁদের মধ্যে ছিলেন সুকুমার মুখোপাধ্যায়, প্লাবন মুখোপাধ্যায়, অভিজিৎ চৌধুরী, অমলেন্দু ঘোষ ও মাখনলাল সাহা। সিনিয়র ডাক্তাররা বৈঠক শেষে জানান, নবান্নে  মমতা জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান শনিবার। কিন্তু শনিবার সকালেও তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন যে নবান্নে বৈঠকে বসতে তাঁরা অনিচ্ছুক।

এর মধ্য়েই কয়েকটি দাবি তুলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। প্রথমত, এসএসকেএম-এ এসে মুখ্যমন্ত্রী যে হুমকি দিয়েছেন  তা প্রত্যাহার করতে হবে। দ্বিতীয়ত,  মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করতে হবে। যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। তৃতীয়ত, সিনিয়র ডাক্তারদের ডেকে কেন আমাদের ডাকা হচ্ছে নবান্ন তা বলতে হবে। চতুর্থত, এনআরএস-এ মমতাকে এসে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। পঞ্চমত, জুনিয়র ডাক্তারদের বিরুদ্ধে তোলা মিথ্যে অভিযোগ প্রত্যাহার করতে হবে। ষষ্ঠত, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার দিকে নজর দিতে হবে। 

জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়েছেন, এই দাবিগুলি মেনে এনআরএস-এ এসে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিলেই তাঁরা কাজে যোগ দেবেন। কিন্তু তাঁরা নবান্ন যাবেন না। তবে আজ মমতা তাঁদের এই দাবিগুলি মেনে নেন কি না তা সময়ই বলতে পারবে।