রাজ্য বিজেপিতে বড়সড় রদবদল। মহিলা মোর্চার মাথায় বসানো হল ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পলকে। আগে সেই জায়গায় ছিলেন হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এবার রাজ্য কমিটিতে নিয়ে আসা হয়েছে ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংকে।

সোমবার বিকেলে অনলাইনে দলের নবগঠিত রাজ্য কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করলেন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাজ্য়ে করোনার আবহে এই ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি জানান, মার্চেই বিজেপির নতুন কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে সেই প্রক্রিয়া হতে দেরি হয়।  অবশেষে এদিন সেই কাজ সম্পন্ন করা হল। মূলত, বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই বিজেপিতে এই পদ পরিবর্তন।

ঘোষণা অনুযায়ী, বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটিতে ১২ জন সহ-সভাপতি হয়েছেন।  কমিটিতে আছেন ৫ সাধারণ সম্পাদক ও ১০ সম্পাদক। পাশাপাশি তৃণমূলের নেতাদেরও গেরুয়া শিবিরে নাম লেখানোর পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। বিজেপির বিভিন্ন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাদের। 

নতুন রাজ্য কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ ড. সুভাষ সরকার, বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী,জয়প্রকাশ মজুমদার, প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবাশীষ মিত্র, ঋতেশ তিওয়ারি, রাজকমল পাঠক, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, ভারতী ঘোষ, মাফুজা খাতুন, দীপেন প্রামাণিক। ৫ সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোর্তিময় সিং মাহাতো, সায়ন্তন বসু, সঞ্জয় সিং ও রথীন বসু। 

এছাড়াও দলের রাজ্য কমিটিতে রয়েছেন আরও ১০ সম্পাদক। এরা হলেন তুষার মুখোপাধ্যায়, দীপাঞ্জন গুহ, তুষার ঘোষ, বিবেক সোনকার, শর্বরী মুখোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্ত, সংঘমিত্র চৌধুরি, অরুণ হালদার, তনুজা চক্রবর্তী, ফাল্গুনী পাত্র। যুব মোর্চায় দেবজিৎ সরকারের বদলে দায়িত্বে আনা হয়েছে বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-কে।