বিশ্বের পর ভারতেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বেগতিক দেখে প্রতিদিন দেশবাসীকে সচেতনতার পাঠ পড়াচ্ছে স্বাস্থ্য় মন্ত্রক। করোনা থেকে বাঁচতে মাস্ক পড়ার নিদান দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এবার করোনা ঠেকাতে বিশেষ পাঠ পড়ালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মোহনবাগানের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে করোনা থেকে বাঁচার উপায় বললেন তিনি। 

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, ৪ শতাংশ ডিএ বাড়াল কেন্দ্র

মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, হাঁচি পেলে কি হাঁচবেন না? তা তো হয় না! মনে রাখবেন সব ভাইরাস করোনা নয়। সব মশা ডেঙ্গি নয়। সব মাছ ইলিশ নয়। এদিন  মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাঁচি কাশি পেলে কী করবেব তাও বেল দেন মমতা। ভাইরাস থেকে বাঁচতে এক ঘণ্টা অন্তর হাত ধোওয়ার নিদান দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০ সেকেন্ড অন্তত সাবান দিন। নখ পরিষ্কার করুন। হাতের মাঝখানটা কিন্তু সাবান দিতে ভুলবেন না। ওখানটা বেশি ময়লা জমে।

বাঙালদের ঝামা ঘষার কথা বিজেপির পোস্টে, পিকে-র ষড়যন্ত্র বললেন দিলীপ

তবে সভায় বারবার আতঙ্কিত না হওয়ার আবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী।  যদিও ভাইরাস নিয়ে বার বার উষ্মা ঝড়ে পড়ে তাঁর গলায়। গতকাল করোনা আটকাতে মাস্কের বিকল্প বাতলে বিতর্কের সৃষ্টি করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর সুতো কাপড় দিয়ে মাস্ক তৈরির নিদান ইতিমধ্য়েই ছড়িয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।   

বৃহস্পতিবার বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ সেখানে মাক্সের আকাল নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে, দিলীপ ঘোষ বলেন,চায়না থেকে কম দামে মাক্স আসত ভারতে৷ এখন সেখানে যা পরিস্থিতি ,তাতে সেখানেই প্রচুর মাক্স প্রয়োজন৷ তাই চায়না থেকে ভারতে মাক্স সাপ্লাই হচ্ছে না৷ করোনা রুখতে মাস্ক ও স্যানেটাইজার ব্যবহার করার কথা বলেন দিলীপবাবু৷ যদিও পরে মাস্ক না থাকলে বাড়িতে পরিষ্কার কাপড় কেটে সুতলি দিয়ে বেধে নেওয়ার কথা বলেন তিনি। বিজেপির রাজ্য় সভাপতি  বলেন, ভাইরাসের সাইজ বড় হওয়াতে সাধারণ কাপড়ে নাকি এই ভাইরাস আটকানো যাবে৷

টিকিট দেওয়ার অছিলায় মহিলাকে স্পর্শ, প্রকাশ্য়ে মেট্রো কর্মীর কুকীর্তি

ক্রমেই এদেশে ভয়ানক হচ্ছে পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার ফের একবার লাফিয়ে বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত এদেশে ৭৫ জনের শরীরে কোভিড-১৯ ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সমস্ত ভিসা বাতিল করে দিয়েছে ভারত সরকার। প্রয়োজন ছাড়া ভারতীয়দের বিদেশে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে। আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে আইপিএল।