অবশেষে ভোল বদল। সুপ্রিম কোর্টে আয়ুষ্মান ভারত মামলা যেতেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে রাজ্য় সরকার। রাজ্য়ে প্রধানমন্ত্রীর কৃষি সম্মান নিধি ও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করার জন্য় মোদীর মন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছে নবান্ন। যা নিয়ে মুখ্য়মন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। 

রাজ্য় সরকারি কর্মীদের জন্য় সুখবর,১৬ ডিসেম্বরের মধ্য়ে দিতে হবে বকেয়া ডিএ.

সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কৃষি সম্মান নিধি  প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে তার জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি টাকা যদি সরাসরি রাজ্য সরকারের কাছে আসে তাহলেই প্রকল্পগুলি রাজ্যে চালু করা হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠিতে বলেছেন কেন্দ্র টাকা তার সরকারের কাছে পাঠাবে। এই বিষয়েই আপত্তি তুলেছেন বিজেপি সাংসদ। বাবুল সুপ্রিয় বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই শর্তের মধ্যেই গল্পটা লুকিয়ে আছে। এতোদিন এই দুই প্রকল্প বাংলায় বাস্তবায়িত করতে চায়নি। কিন্তু এখন ভোট আসছে। ভাবছে কেন্দ্র এই দুই প্রকল্প বাবদ যে কোটি কোটি টাকা দেবে তা থেকে কাটমানি খাবে। ওই টাকা দিয়ে ভোটে লড়বে।

বিজেপিতে থেকেও তৃণমূল সৌমিত্র, ভাইরাল অডিওতে পদ্মের গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে

রাজ্যে 'প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি' প্রকল্প চালু করা হয়নি কেন? এই প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। টুইট করে সরাসরি আক্রমণ করেছেন  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকল্প 'আয়ুষ্মান ভারত'-ও চালু করা হয়নি ছয়টি রাজ্যে। সেই তালিকাতেও নাম রয়েছে বাংলার। সম্প্রতি বিরোধী শাসিত ওই রাজ্যগুলিকে নোটিশ পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। জানতে চাওয়া হয়েছে, করোনা পরিস্থিতি কেন প্রকল্পটি চালু করা হয়নি? এরপরেই ৯ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রকল্পের টাকা হতে পেলেই 'আয়ুষ্মান ভারত যোজনা' চালু করবেন বাংলায়। 

হাজার নিয়ম করেও দূরত্ব বিধি শিঁকেয়,নতুন ফরমান জারি করতে চলেছে মেট্রো

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত বাস্তবায়নের বিষয়ে ৯ই সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ হর্ষবর্ধনকে চিঠি পাঠিয়েছেন। শুধু তাই নয়, সেদিন রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী কৃষি সম্মান নিধি চালু করতে চেয়ে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমারকেও চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তবে বাবুল সুপ্রিয় একা নন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শর্তকে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও। টুইট করে তিনি বলেছেন, পিএম কিষাণ হল চাষির অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানোর পোক্ত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা। এখানে কাটমানিও নেই, মধ্যস্থতাভোগীও নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার-এর এজেন্ট হতে চায় কেন?