চন্দ্রযান চাঁদের মাটি ছোঁয়ার আগেই মোদির গায়ে 'কলঙ্ক লাগানোর চেষ্টা।' বিধানসভায় দাঁড়িয়ে সেরকমই মন্তব্য করলেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। নাম না করে মমতা বলেন,চন্দ্রযান নিয়ে কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা আসলে আর্থিক বিপর্যয় থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে রাত ১টা ৫৫ মিনিটে চাঁদের মাটি ছোঁবে চন্দ্রযান। দেশজুড়ে চলছে তারই উৎসব। এমনকী লাইভ সেই মুহূর্ত চাক্ষুষ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৬০জন ছাত্র ছাত্রী উপস্থিত হয়েছেন মোদীর সঙ্গে চন্দ্রযানের চাঁদে অবতরণ দেখবেন বলে। সব জায়গায় যখন সাজ সাজ রব তখন, মোদীর এই কৃতিত্বে তাল কাটলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন বিধানসভায় মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, 'এমন ভাব করা হচ্ছে যেন চন্দ্রযান উত্‍‍ক্ষেপণ দেশে এই প্রথম। যেন ওরা ক্ষমতায় আসার আগে এরকম কিছুই হয়নি। এদের সব দাবি যেন এরাই সব করছে, সব কৃতিত্ব এদেরই। সব ঐতিহ্য নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। এটা আর্থিক বিপর্যয় থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা । চন্দ্র-অভিযান তো হয়ে গেল, চাঁদেই গিয়ে থাকুন।' 

এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি মুখ্য়মন্ত্রী।  নাগরিকপঞ্জী নিয়ে আলোচনার সময় মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, গত ৫০ বছর ধরে এই বিষয়ে গবেষণা চলছে। এমন কারা হচ্ছে যে এই নিয়ে আগে কিছুই করা হয়নি। শনিবার রাতেই চন্দ্রযান ২-এর ল্যান্ডার বিক্রম নামবে চাঁদের বুকে। তার আগে অবশ্য অবতরণের স্থান নির্বাচন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ মিটার উচ্চতা থেকে নির্দিষ্ট ল্যান্ডিং-এর জায়গা বেছে নেবে ল্যান্ডার বিক্রম। এর আগে চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চল এর আগে কোনও মহাকাশযানই নামেনি। কাজেই প্রায় অজানা এক জায়গায় আগে থেকে সবটাই পরিকল্পনা করে রাখা সম্ভব নয়। তাই ইসরোর বিজ্ঞানীরা দুটি পৃথক ল্যান্ডিং স্পট বেছে রেখেছেন। জানা গিয়েছে।, অবতরণের সেই মুহূর্তের তথ্য বিশ্লেষণ করে জায়াটি চূড়ান্ত করা হবে।