'যশ' ঘূর্ণিঝড় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। সেই সঙ্গে জেলায় দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের সঙ্গেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে।  ১৫৪ টি ফায়ার স্টেশন আগুন নেভানোর পাশাপাশি কোথাও বড় দুর্ঘটনা হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই টিম পৌঁছে যাবে। 

আরও পড়ুন, ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আগেই প্রস্তুত জাতীয় মোকাবিলা বাহিনী, জানুন কোন পথে আসছে 'যশ'  

 


মূলত মন্ত্রী সুজিত বসু বলেছেন, আগামীকাল থেকে রাজ্যে সমস্ত জায়গায় দমকল কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে। ১৫৪ টি ফায়ার স্টেশন আগুন নেভানোর পাশাপাশি কোথাও বড় দুর্ঘটনা হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই টিম পৌঁছে যাবে। সেইসঙ্গে ৫৪ টি স্কিম তৈরি করা হয়েছে। হাওড়া হুগলি পূর্ব মেদিনীপুর কলকাতা বিধান নগর সহ বিভিন্ন জেলায় ফায়ার স্টেশন গুলি আলাদাভাবে স্পেশাল টিম তৈরি করা হয়েছে। তাদেরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যাতে ঝড়-বৃষ্টির হবার পর দ্রুত তাদেরকে কাজে লাগিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। তাই বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। সেইসঙ্গে কলকাতা পুলিশ ও লালবাজার এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। কারণ আমফানের সময় যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল তারপর পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার নতুনভাবে সবকিছু ঢেলে সাজানো হয়েছে। 

আরও পড়ুন, সুপার সাইক্লোন 'যশ'-র মোকাবিলায় কলকাতা বিমানবন্দর, কড়া নজরদারি উপকূলরক্ষী বাহিনীরও  

 

 

উল্লেখ্য, আলিপুর হাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শক্তি বাড়িয়েই ক্রমশ বাড়িয়ে বাংলার দিকে ক্রমশ ঘূর্ণিঝড় যশ।  রবিবার সকালেই ইতিমধ্যেই  বঙ্গোপসাগরে সুনির্দিষ্ট হয়েছে নিম্নচাপ। সোমবার সকালে এটি ঘূর্ণীঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওমান যার নাম দিয়েছে যশ, যার অর্থ দুঃখ। মঙ্গলবার অতি প্রবল ঘূর্ণীঝড়ের আকার নিয়ে তা উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। উপকূলিয় এলাকায় শুরু হবে ঝোড়ো হাওয়া। বুধবার সকালে সম্ভবত এই ঘূর্ণীঝড় পৌছবে ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছে। বিকেল বা সন্ধেয় স্থলভূমিতে প্রবেশ করবে। তখন ঝড়ের গতিবেগ সম্ভবত থাকবে ঘন্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিমি। উল্লেখ্য, সোমবার থেকেই গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি শুরু হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। মঙ্গলবার দুই মেদিনীপুর,দুই ২৪ পরগণা, হাওয়া, হুগলিতে বৃষ্টি হবে।