যাদবপুরে মন্ত্রী হেনস্থাকাণ্ডে বাবুলকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাল জুটা  মন্ত্রীর প্ররোচনাতেই ক্যাম্পাসে হুলস্থুলু বলল জুটা  ছাত্রদেরও আরও সংযত থাকা উচিত ছিল, বিবৃতিতে দাবি

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্ত্রী হেনস্থাকাণ্ডে বাবুল সুপ্রিয়কেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাল জুটা। যাদবপুর ইউনিভারসিটি টিচার্স অ্যাসোশিয়েশনের দাবি,মন্ত্রীর প্ররোচনাতেই ক্যাম্পাসে হুলস্থুলু অবস্থার সৃষ্টি হয়। তবে ছাত্রদেরও আরও সংযত থাকা উচিত ছিল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মন্ত্রী হেনস্থাকাণ্ডে যাদবপুরের ছাত্রদের পাশেই দাঁড়াল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন। ক্যাম্পাসে মন্ত্রীকে মারধরের মধ্যেও বাবুলের আচরণকেই দাযী করল জুটা। শিক্ষক সংগঠনের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে গণতান্ত্রিক উপায়ে বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার রয়েছে ছাত্রদের। সেদিন ওই কাজই করছিল ছাত্ররা। কিন্তু মন্ত্রীর কিছু আচরণ ও প্ররোচনামূলক মন্তব্যের ফলেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। বার বার পড়ুয়ারা মন্ত্রীকে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে বলেন। কিন্তু তাতে কোনও কাজ না হওয়ায় ছাত্ররা অসংযমী হয়ে ওঠে। ছাত্রদের তরফ থেকেও সংযমী হওয়া উচিত ছিল। কোনও ব্যক্তির বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।

প্রেস বিবৃতিতে জুটা জানিয়েছে, যে ভাষায় একজন মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে আক্রমণ করেছেন তাঁর তীব্র নিন্দা করছে জুটা। মন্ত্রীর এই আচরণে গোটা বিশ্ববিদ্যালয় অপমানিত বোধ করছে। এই বলেই থেমে থাকেনি শিক্ষক সংগঠেনর বিবৃতি। মন্ত্রী হেনস্থাকাণ্ডে খোদ রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়েও সওয়াল করেছেন তাঁরা। জুটা জানিয়েছে রাজ্যপাল সেদিন যা ভূমিকা নিয়েছে,তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন মর্মাহত।

বৃহস্পতিবার বাবুল সুপ্রিয়কে মারধরের পরই বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেট দিয়ে ঢুকে আসে একদল উত্তেজিত জনতা। এসএফআই-এর ইউনিয়ন রুমে তাণ্ডব চালায় তাঁরা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে জুটা। তাঁরা জানিয়েছে,ছাত্র সংসদের ঘরে তাণ্ডব চালিয়ে একটি নির্দিষ্ট সংগঠেনর নাম লিখে দেওয়া হয়েছে। হামলাকারীদের তাণ্ডবে ভেঙেছে দোকান। এমনকী দোকানি ও ক্যাম্পাসের ছাত্রদেরও রেয়াত করেনি হামলাকারীরা। অনেক ছাত্রই এই বহিরাগতদের আক্রমণের শিকার হয়েছে। অবিলম্বে এই ঘটনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ব্য়বস্থা নেওযার অনুরোধ করছি।