যাদবপুরের শিক্ষক সংগঠন বলছে,মন্ত্রীর প্ররোচনাতেই মারমুখী হয়েছে ছাত্ররা। অথচ যাদবপুরে মন্ত্রী হেনস্থাকাণ্ডে ছেলের অপরাধের জন্য ক্ষমা চাইছেন মা। টুইটারে সেই ভিডিও পোস্ট করেছেন স্বয়ং বাবুল। ছেলের কোনও ক্ষতি হতে দেবেন না বলে আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।

টুইটারে ঘুরে বেরাচ্ছে এক মায়ের কাতর আর্জি। ছেলেকে জেলে দেবেন না। কান্না ভরা চোখে মা বলে চলেছেন ওকে রাজনীতির সঙ্গে জড়াবেন না। মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র কাছে এই আবেদন জানিয়ে চলেছেন যাদবপুরে বাবুল সুপ্রিয়কে হেনস্থাকারী ছাত্রের মা। যার উত্তরে আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বলেন, 'চিন্তা করবেন না মাসিমা - আমি কোনো ক্ষতি করবো না আপনার ছেলের। ওর ভুল থেকে ও শিক্ষা নিক এটাই চাই । আমি নিজে কারও বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর তো করিইনি, কাউকে করতেও দিইনি। আপনি দুশ্চিন্তা করবেন না। তাড়াতাড়ি সেরে উঠুন। '

 

সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ছাত্র বিক্ষোভের মুখে চরম হেনস্থা হতে হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে। অভিযোগ,বাবুলকে হেনস্থা করতে তাঁর চুলের মুঠি ধরে টানে এক ছাত্র। বাকি একজন নিজেকে নকশাল বলে মন্ত্রীর জামা খুলে দেয়। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনার পর থেকেই যাদবপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল চেহারা নিয়েছে রাজ্য রাজনীতি। ছাত্ররা পার পাবেন না বলে প্রকাশ্য়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এমনকী বাবুলকে হেনস্থাকারীদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন তিনি।

গতকালই যাদবপুর থানায় এই ঘটনার তদন্তে অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। থানা থেকে বেরিয়ে জয়প্রকাশ বাবু বলেন, বাবুলকে নিগ্রহকারীদের মোটেই ছাত্র বলা যায় না। যাদবপুরের চার দেওয়ালের মধ্য়ে থেকে নিজেদের একটা জগৎ বানিয়ে নিয়েছে তাঁরা। ছাত্রনামী এইসব হামলাকারীদের রেয়াত করা  হবে না। এরা চার পাঁচ বছর আগে পাশ করেও বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল আটকে রেখেছে। এরাই নতুনদের মনে বিষ জুগিয়ে চলেছে।