ফেব্রুয়ারির শুরুতে PSC ভবনের সামনে বিক্ষোভ করলেন চাকরিপ্রার্থীরা। এমনকী নিয়োগে উঠল দুর্নীতির অভিযোগ।  চাকরি প্রার্থীদের এই আন্দোলন (movement of job seekers) নিয়ে ইতিমধ্যেই জোরদার চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।   

চাকরির প্রার্থীদের আন্দোলনে গত কয়েক মাসে বারেবারেই উত্তপ্ত হয়েছে কলকাতা। এমতাবস্থায় এবার ফের ফেব্রুয়ারির শুরুতে PSC ভবনের সামনে বিক্ষোভ করলেন চাকরিপ্রার্থীরা। এমনকী নিয়োগে উঠল দুর্নীতির অভিযোগ। চাকরি প্রার্থীদের এই আন্দোলন (movement of job seekers) নিয়ে ইতিমধ্যেই জোরদার চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টা নাগাদ জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা। প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কয়েকশো চাকরিপ্রার্থী। এদিকে পড়ুয়া জমায়েতকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেকথা ভেবে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল টালিগঞ্জ থানার পুলিশ (Police of Tollygunge police station)। এমনকী পিএসসি ভবনের বাইরেও ছিল পুলিশি পিকেট (police pickets outside the PSC building)। যদিও তারপরেও ঠেকানো যায়নি উত্তেজনা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred


এদিকে চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর করোনা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। কিন্তু নিয়োগ প্রক্রিয়া আর ফেলা রাখা যাবে না। অন্যদিকে ২০১৯ সালের ক্লার্কশিপ, আইসিডিএস, মিসলেনিয়াস এবং ডব্লিউবিসিএস গ্রুপ সিওডি পরীক্ষা গুলি হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তার মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। সেই মেধা তালিকা প্রকাশের দাবিও এদিন ফের রাখেন বিক্ষোভকারীরা। পাশাপাশি, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার্স, কেপিএস, ফায়ার অপারেটর্স, লাইভ স্টক ডেভেলপমেন্ট, স্কুল এসআই, ফুড এসআই-সহ বিভিন্ন পদে দ্রুত নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

আরও পড়ুন- অসুস্থ অনুব্রত, ভর্তি এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে

আরও পড়ুন- ভোট বৈতরণী পার করতেই কী ৬০ লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতি, সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিরোধীরা
এদিকে একই দাবি নিয়ে এর আগেও পিএসসি ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। সেবার পিএসসি দুর্নীতি মঞ্চের পক্ষ থেকে ডেপুটেশনও দেওয়া হয়েছিল। তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এদিকে দীর্ঘদিন নিয়োগ না হওয়ায় বহু চাকরিপ্রার্থীর বয়স বেড়ে যাচ্ছে যার কারণে পরবর্তীকালে তাঁরা চাকরির পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। তাই অতি দ্রুত পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে পরীক্ষাগুলি নিতে হবে এবং সমস্ত নিয়োগ-প্রক্রিয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের এক বছরের মধ্যেই নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে বলে দাবি জানিয়েছেন তারা। এমনকী দাবি না মানলে আগামীতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা। যদিও এই ইস্যুতে এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে বিশেষ উচ্চবাচ্য করা হয়নি। 

আরও পড়ুন- কেন দু'বছর পিছিয়ে দেওয়া হল পুরভোট, নির্বাচনী আবহে ফের রাজ্যকে আক্রমণ বামেদের