হাওড়ার টিকিয়াপাড়ার পর এবার খিদিরপুর। ফের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য় করে মহরমের তাজিয়া বেরোল খাস কলকাতায়।  রাত আড়াইটে নাগাদ খিদিরপুর মোরে তাজিয়া নিয়ে চলে উদ্যাম উদযাপন। বাজনা নিয়ে চলে তাজিয়া খেলা। সবার চোখে পড়লেও তা চোখ পড়েনি পুলিশ-প্রশাসনের। এমনকী করোনা আবহে তাজিয়া নিয়ে দৌনোর সম য়কারও মুখে মাস্ক ছিল না।  সামাজিক দূরত্ব না মেনেই চলে মহরম উদযাপন। 

রবিবার সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মহরমের দিন তাজিয়া নিয়ে মিছিল বের হয় হাওড়ার টিকিয়াপাড়ার বেলিলিয়াস রোডে। পরে পুলিশের বাধার মুখে মিছিল অন্য রাস্তা দিয়ে নিতে বাধ্য় করা হয় তাজিয়াধারীদের। যার জেরে কিছুক্ষণের মধ্য়েই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। অভিযোগ, তাজিয়াধারীরা এলাকার একটি বিজেপির অফিসে ভাঙচুর চালায়। পরে স্থানীয় বাড়ির ওপর হামলা হয়। মিছিল থেকে উড়ে আসে শয়ে শয়ে ইট। আক্রান্ত  হন পুলিশ কর্মীরাও।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশাল মাপের তাজিয়া হাওড়া ময়দান ফাঁসিতলার অভিমুখে যাত্রা শুরু করে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে।  তাজিয়াকে পুলিশ বেলিলিয়াস রোডের দিকে ঘুরিয়ে দিতেই বিপত্তি বাধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা পুরুষ, মহিলাদের প্রথমে গালিগালাজ করতে থাকে সেই হামলাকারীরা। প্রতিবাদ করতেই মারধর করা হয় তাদের। অভিযোগ, তাজিয়াধারীরা অন্য গোষ্ঠীর লোকের ওপর হামলা চালালেও নিষ্ক্রিয় থাকে পুলিশ।

এই নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাওড়া থানার পুলিশ। তারপরে আশপাশের অঞ্চল থেকে সমস্ত পুরুষ এবং মহিলারা রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে। ঘটনার খবর শুনেই এলাকায় চলে আসে বিজেপির কর্মীরা। তারা ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ এর অফিসের সামনে রাস্তার উপরে অবস্থান বিক্ষোভে বসে পড়ে। ওই ঘটনার সময় পুলিশ যে গোষ্ঠীর ওপর লাঠিচার্জ করে তাদের পাশে দাঁড়ান বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। নামানো হয়েছে র্যাপ, কমব্যাট ফোর্স এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ।