রাজ্য়ে ফিরে আসতেই ফের দিল্লিতে তলব মুকুল রায়কে। শোনা যাচ্ছে, সরাসরি অমিত শাহের  সঙ্গে বৈঠকে বসার জন্য় ডাকা হয়েছে মুকুলকে। প্রাক্তন তৃণমূল নেতাকে রাজধানীতে আসার জন্য় আহ্বান জানিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

এদিকে, নিজে তৃণমূলে ফিরছেন না  বলে প্রকাশ্যেই জানিয়ে  দিয়েছেন মুকুল রায়। পাল্টা কারা এই ধরনের পরিকল্পিত গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিত বলে দাবি করেন তিনি। বিজেপি নেতা বলেন, তদন্ত হলেই এই চক্রান্তের পিছনে কারা রয়েছেন তা পরিষ্কার হবে। দলত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপি ছাড়ার কোনও প্রশ্নই নেই।  তিনি বিজেপিতে আছেন ও থাকবেন। বাকি সব অপপ্রচার।

দিল্লির রাজনৈতিক মহলে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে,দিলীপ-মুকুলের মধ্য়ে দূরত্ব ঘোচাতে নিজেই মুকুলের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ। আগামী শুক্রবার হতে পারে এই বৈঠক। কদিন আগেই খবরে শোনা যায়, রাজ্য় বিজেপির সঙ্গে মুকুলের দূরত্ব পর্বে নেতার দিল্লির বাসভাবন থেকে উধাও হয়েছে মোদী-অমিত শাহের ছবি। যদিও প্রাক্তন তৃণমূল নেতা বলেন, এটা নেহাতই গুজব। দিল্লির নির্বাচনের আগে ওই পোস্টারগুলো কমিশনের নির্দেশে খোলা হয়েছিল। দিল্লির মিউনিসিপ্য়াল বোর্ড ওই পোস্টারগুলো খুলে দিয়েছে। তারপর তিনি  আর সেই বাড়িতে সেরকম যাননি। তাই বিষয়টি চোখ পড়েনি। ইতিমধ্য়েই মোদী-অমিত শাহের ছবি ফের জায়গামতো লাগিয়ে দিতে বলেছেন তিনি। 

শোনা যাচ্ছে, বাংলার সাফল্যের যে খতিয়ান কেন্দ্রীয় নেতারা বিজয়বর্গীয়র সামনে তুলে ধরেন তার মধ্য়ে মুকুল রায়ের  অবদান সেভাবে উল্লেখ করা হয়নি। বিষয়টি  নজরে আসতেই আর বৃহস্পতিবারের বৈঠকে তিনি যোগ দেননি। শুক্রবার ফিরে আসেন কলকাতায়। যদিও পরে জানান, চোখের ডাক্তার দেখাতেই কলকাতায় ফিরে এসেছেন তিনি।এদিকে রাজধানীতে দলে মুকুল রায়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বাবুল সুপ্রিয় এবং রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তও কথা বলেছেন বলে শোনা যাচ্ছে।  সূত্রের খবর, কৈলাস বিজয়বর্গীয় ফোনে মুকুলকে জানিয়েছেন,অমিত শাহ তার  সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে পারেন। তাই মুকুল যেন শুক্রবার সকালে দিল্লি পৌঁছে যান।