'শিষ্য' এলেও 'গুরু' স্থান পেলেন না কমিটিতে। রাজ্য বিজেপির কোনও পদে রাখা হল না মুকুল রায়কে। এমনকী দলের অস্বস্তি বাড়ানোয় কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হল চন্দ্র বসুকে। এমনকী সম্প্রতি আমফান নিয়ে ফিরহাদকে বিড়ম্বনায় ফেলেও দলের কমিটিতে স্থান হল না শোভন চট্টোপাধ্য়ায়ের।   

সোমবার বিজেপির সাংগঠনিক স্তরেও বেশকিছু বদল হল। তা নিজেই ঘোষণা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। তবে রাজ্য কমিটির কোনও পদেই নাম নেই মুকুল রায়ের। তবে দায়িত্ব পেলেন অর্জুন সিং, অগ্নিমিত্রা পল, সব্যসাচী দত্ত। এদিন সহ-সভাপতির পদ থেকে নাম বাদ গিয়েছে চন্দ্র বসুর। রাজ্য়ের সাম্প্রতিক অতীতে জম্মু কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল বা সিএএ নিয়ে দলবিরোধী মন্তব্য় করেছিলেন তিনি। 

একাধিকবার তার  জন্য় অস্বস্তিতে পড়তে হয় গেরুয়া শিবিরকে। সেই সব বিচার করেই চন্দ্র বসুকে দলের মুখ করল না দিলীপ ব্রিগেড।  একই ভাবে মুকুলকে সরালেও তার অনুগামীদের দলের কমিটিতে রাখলেন দিলীপ ঘোষ। দলের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। বিজেপির মহিলা মোর্চার দায়িত্ব পেলেন অগ্নিমিত্রা পাল। সহ-সভাপতি হলেন অর্জুন সিংহ, ভারতী ঘোষ। বিজেপির রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হয়েছেন বিধাননগর কর্পোরেশনের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত।

কদিন আগেই আমফান নিয়ে কলকাতা পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর প্রধান ফিরহাদ হাকিমের সমালোচনা করেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু তাকেও দলের কোনও পদে রাখা হয়নি। যদিও দিলীপবাবু জানিয়েছেন, এখনও বিজেপিতেই আছেন শোভন।