Asianet News BanglaAsianet News Bangla

নির্ধারিত মাত্রার দ্বিগুণ, হাসপাতালে শব্দ দূষণ নিয়ে রিপোর্ট নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের

  • শহরে শব্দদূষণ রাতে নির্ধারিত মাত্রার থেকে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে  
  • এনিয়ে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে  
  • এদিকে রাজ্যকেই 'মডেল' করেই কেন্দ্রীয় শব্দ আইন তৈরি হয়েছিল  
  • চিকিৎসক-পরিবেশকর্মীদের কাছে  এটা চিন্তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে 
Noise pollution level gets two times higher at night in front of many Hospitals
Author
Kolkata, First Published Feb 24, 2020, 6:16 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

শহরে শব্দদূষণ রাতে নির্ধারিত মাত্রার থেকে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। এদিকে 'সাইলেন্স জ়োন'  হিসেবে চিহ্নিত শহরের একাধিক হাসপাতাল সংলগ্ন অঞ্চল। শহরের বিভিন্ন জায়গায় শব্দমাত্রা কত, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ ‌‌‌সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। যা বিশ্লেষণ করে এমনই তথ্য উঠে আসছে।

আরও পড়ুন, বউবাজারে মেট্রোর কাজে ভোগান্তি বাসিন্দাদের, বাড়ি ছাড়তে হল ডায়ালিসিস রোগীকেও


শহরের  'সাইলেন্স জ়োন' -এ শব্দদূষণের সমস্যা যদিওবা নতুন কিছু নয়। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের ২০১৮-র রিপোর্ট   জানাচ্ছে, যতই শব্দদূষণ নিয়ে সরব হন না পরিবেশকর্মীরা, সেই অবস্থা বিন্দুমাত্র পাল্টায়নি। অবশ্য ২০১৫ সাল থেকে প্রকাশিত পরপর চার বছরের (২০১৫- ২০১৮) রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, শহরের সাইলেন্স জ়োন হিসেবে ঘোষিত হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকা শব্দের বিপজ্জনক মাত্রা পেরিয়ে গেছে। ২০ বছর আগে, অর্থাৎ ২০০০ সালে এই রাজ্যকেই 'মডেল' করে সারা দেশের কেন্দ্রীয় শব্দ আইন তৈরি হয়েছিল। এদিকে শহরের শব্দদূষণ আজ মাত্রায় দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। 

আরও পড়ুন, মেডিক্যাল কলেজে দীর্ঘ লড়াই পর বোমায় জখম শিশুর মৃত্যু, গ্রেফতার ১


সূত্রের খবর, পর্ষদের রিপোর্ট বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং এসএসকেএম হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ধারাবাহিক ভাবে শব্দবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে। ওই সব এলাকায় দিন ও রাতে শব্দের নির্ধারিত মাত্রা যথাক্রমে ৫০ এবং ৪০ ডেসিবেল হওয়ার কথা। কিন্তু চার বছরের রিপোর্ট দেখাচ্ছে, এসএসকেএম হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় কোনও কোনও মাসে দিনে ও রাতে সে মাত্রা গড়ে ৭১ থেকে ৮১ ডেসিবেলের মধ্যে ঘোরাফেরা করেছে। আবার আর জি কর হাসপাতালে কোনও কোনও মাসে দিনে গড়ে ৬৫ ডেসিবেল এবং রাতে তা ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে থাকেছে। চিকিৎসক এবং পরিবেশকর্মীদের অনেকেই, যা চিন্তার কারণ বলে মনে করছেন।

আরও পড়ুন, এবার নোংরা জল শোধন করেই রাস্তা ও গাড়ি ধোয়া, পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনায় এনকেডিএ

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios