সোমবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হবে রাজ্যজুড়ে। এদিকে মেঘলা থাকার দরুণ গরম অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, আজ শহর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রী বেশি। আগামীকাল বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গে। বুধবার বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গে।  দু-এক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। মালদা, দিনাজপুর, জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামী বুধবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি পরিমান কমবে।  কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, নদিয়া মুর্শিদাবাদ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।

আরও পড়ুন, বউবাজারে মেট্রোর কাজে ভোগান্তি বাসিন্দাদের, বাড়ি ছাড়তে হল ডায়ালিসিস রোগীকেও

আজ সোমবার , শহর কলকাতার আকাশ রাতের দিকেও  মেঘলা থাকবে। আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রী বেশি। এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা  ৩০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী,  সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩০.৮  ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।  শহরের বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৬ শতাংশ। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ন্যূনতম ৩৪ শতাংশ।  এই মুহূর্তে শহরের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  

আরও পড়ুন, মেডিক্যাল কলেজে দীর্ঘ লড়াই পর বোমায় জখম শিশুর মৃত্যু, গ্রেফতার ১


আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী,  বিহার ও ঝাড়খণ্ডের ওপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যার জেরে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরের উপর বিপরীত ঘূর্ণাবর্তের ফলে আর্দ্র বাতাস ঢুকছেন স্থলভাগে। এই দুইয়ের সংযোগে ফলেই বসন্তের শুরুতে এই বৃষ্টি।রবিবার রাত থেকেই বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়াতে বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। রবিবার রাত থেকেই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা এবং সিকিমে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর ডিডিজিএম সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা সেভাবে কমবে না অর্থাৎ শীতের আমেজ আর ফিরছে না। মেঘলা আকাশ থাকায় আগামী দুদিন দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে তবে আদ্রতা জনিত অস্বস্তি থাকবে।উত্তর প্রদেশ থেকে বিহার পর্যন্ত ঘূর্ণাবর্ত যার টানে সাগর থেকে জলীয়বাষ্প ডুকছে। অন্যদিকে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার শীতল হাওয়া ও  গরম হওয়ার সংঘাতে এই বৃষ্টি। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হবে সর্বত্র।

আরও পড়ুন, এবার নোংরা জল শোধন করেই রাস্তা ও গাড়ি ধোয়া, পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনায় এনকেডিএ