সোমবার গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্সে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় এক সিআইএসএফ অফিসারের। ২৪ ঘণ্টার মধ্য়েই করোনার কবলে  ইয়ার্ডের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৩৭ জন সিআইএসএফ জওয়ান । নমুনা পজিটিভ আসতেই তাদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। তবে সূত্রের খবর, প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে

এর আগে এক কলকাতার হাসপাতালে  মৃত্যু হয় এক জওয়ানের । ৫৫ বছরের এএসআই পদমর্যাদার জওয়ান কিছুদিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু সুস্থ হয়ে যাওয়ায় তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় । এরপর ফের তাঁর শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেয় । এম আর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সোমবার রাতে মৃত্যু হয় তাঁর। এই নিয়ে মোট চার সিআইএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হল কলকাতায় ।

জানা গিয়েছে, ওই সিআইএসএফ জওয়ান থেকে শিপ ইয়ার্ডের ক্যান্টিনে খেতে আসা জাহাজের কর্মীদের সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। যার জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ক্যান্টিন। কলকাতা বন্দর, বিমান বন্দর, (জিআরএসইএল), ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এবং ভারতীয় জাদুঘরের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে সিআইএসএফ । বন্দর এলাকায় ভূতঘাটের কাছে রয়েছে সিআইএসএফ ব্যারাক ।

 এর আগে কলকাতা জাদুঘরে কর্তব্যরত এক সিআইএসএফ জওয়ান করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন । তাঁর সংস্পর্শে আসা ৩৩ জন সিআইএসএফ জওয়ানকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়৷ গত শুক্রবার কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মৃত্যু হয় সিআইএসএফ এক আধিকারিকের৷ অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার ওই জওয়ান ভারতীয় জাদুঘরে কর্মরত ছিলেন৷ তিনি আদতে পূর্ব বর্ধমানের কালনার বাসিন্দা৷ 

কলকাতার অন্যত্র যে সিআইএসএফ ইউনিট রয়েছে, সেখানে নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে । সেই সঙ্গে ক্যান্টিনে যাতে বাইরের কেউ যাতায়াত না করতে পারেন সে বিষযে সতর্কতা নেওয়া হয়েছে । এর আগে বিএসএফের ১০ জওয়ান আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনায় ।