স্ট্র্যান্ড রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিচ্ছিন্ন রেল বুকিং পরিষেবা। সোমবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে  গোটা দেশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে কলকাতা সহ পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকার অনলাইন টিকিট পরিষেবা। ভোগান্তির মুখে রেল যাত্রীরা।

আরও পড়ুন, স্ট্র্যান্ড রোডের ভয়াবহ আগুনের গ্রাসে ৯, শোকপ্রকাশ-আর্থিক সাহায্য বার্তা মোদীর 

 

 


পূর্বরেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়েছেন, '১৩ তলায় প্রধানত সিগন্যাল এবং টেলিকম বিভাগের দফতর এবং অ্যাকাউন্টস বিভাগ রয়েছে। কিন্তু আগুন দ্রুত নীচে ছড়িয়ে পড়ে।' পূর্বরেলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ওই বহুতলের ১২ তলায় পূর্ব রেলের স্বাস্থ্য বিভাগের অফিস রয়েছে। আট থেকে ১১ তলা অবধি দক্ষিণ পূর্ব রেলের অফিস। আরও নীচের তলায় রেলরক্ষী বাহিনী, অ্যাকাউন্টস সহ একাধিক বিভাগ রয়েছে। বহুতলের তিন তলায় সেন্টার ফর রেলওয়েজ ইনফর্মেশন সিস্টেমস বা ক্রিসের অফিস। টিকিট সংরক্ষণের এটাই প্রধান অফিস। তবে আগুন ধরতেই বাড়ির বিদ্য়ুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হয়। সার্ভার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ব্য়াটারির মাধ্যমে কিছুক্ষণ ধরে অনলাইন টিকিট কাটার ব্যবস্থা থাকলেও তা বেশি সময় চালানো যায়নি। এদিকে সার্ভার বন্ধের জেরে কলকাতা থেকে উত্তর পূর্ব গুয়াহাটি থেকে নাগাল্যান্ড-দিল্লি, মুম্বই ও দক্ষিণ চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, তিরুবানন্তপুরম পর্যন্ত গোটা দেশের অনলাইন টিকিট পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুন, Strand Road Fire Live Update-স্ট্র্যান্ড রোডের ভয়াবহ আগুনের গ্রাসে ৯, তদন্তের নির্দেশ রেলের 

 

 

উল্লেখ্য, স্ট্র্যান্ড রোডের রেলের নিউ কয়লাঘাট বিল্ডিংএর আগুনের গ্রাসে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। দের মধ্যে চার জন দমকল কর্মী। একজন আরপিএফকর্মী ও একজন হেয়ারস্ট্রিট থানার পুলিশ কর্মী রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত এক জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে পৌছান দমকল কর্মী সুজিত বসু ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপুরণ দেওয়া হবে। অপরদিকে,  ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের পর উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ রেলের। এই ঘটনায় টুইটে শোকপ্রকাশ করেছেন এবং ২ লাখ টাকা মৃতের পরিবারের প্রতি আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।