সূত্রের খবর, লাইন হচ্ছে মূলত ডোমেস্টিক টার্মিনালে    বিমানবন্দরে ভিড় দেখে অবাক উড়ান সংস্থার কর্তারাও  বোর্ডিং গেটে পৌঁছনোর আগেই বিমানের দরজা বন্ধ হয়ে যায়    উড়ান ধরতে না পারায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে   

কলকাতা বিমানবন্দরে যাত্রীদের ভিড় দেখে ভয় পেয়ে যাচ্ছেন উড়ান সংস্থার কর্তারাও। বুধবার দীর্ঘ লাইন পেরিয়ে বোর্ডিং গেটের কাছে পৌঁছনোর আগেই বিমানের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উড়ান ধরতে পারেননি বেশ কয়েক জন যাত্রী। টার্মিনালের ভিতরে থেকেও উড়ান ধরতে না পারায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, কলকাতায় সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে থাকবে হালকা শীতের আমেজ


উড়ান সংস্থার কর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এখন প্রায় সব স্কুলেই পরীক্ষা চলছে। গরমের ছুটি পড়েনি। এখন এই অবস্থা হলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যাত্রী-সংখ্যা আরও বাড়লে তখন কী হবে। বিমানবন্দর সূত্রের খবর, গত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে এক দিনে সর্বোচ্চ যাত্রী-সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৩৩ হাজারের কাছাকাছি। কিন্তু ইদানীং সংখ্যাটা কমে ২৯ হাজারে পৌঁছেছে। বিমানবন্দরের কর্মীরা জানাচ্ছেন, লাইন পড়ছে শুধুমাত্র নিরাপত্তা পরীক্ষার জায়গায়। যেখানে হাত ব্যাগ এক্স-রে করিয়ে যাত্রীদের দেহ তল্লাশি করা হয়। কলকাতা বিমানবন্দরের অধিকর্তা কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন, 'কেন বুধবার এত লাইন হল, আমরাও বুঝতে পারছি না। কিন্তু সমস্যার সমাধান করতে হবে। তাই উড়ান সংস্থার কর্তা এবং নিরাপত্তা সংস্থার কর্তাদের নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি বিশেষ বৈঠকে বসা হবে।' বিমানবন্দর সূত্রে অবশ্য খবর, এ দিন সেখানে নিরাপত্তা অডিট ছিল। সেই কারণেও তল্লাশিতে দেরি হয়ে থাকতে পারে।

আরও পড়ুন, হজে নিয়ে যাওয়ার নামে লক্ষ টাকার প্রতারণা, অভিযোগ ভ্রমণ সংস্থার বিরুদ্ধে ৬০ জনের

সূত্রের খবর, লাইন হচ্ছে মূলত ডোমেস্টিক টার্মিনালে। সেখানে চারটি এসএইচএ অর্থাৎ 'সিকিওরিটি হোল্ড এরিয়া' নিরাপত্তা বেষ্টনী রয়েছে। চারটি নিরাপত্তা বেষ্টনীতে মোট ১০টি এক্স-রে মেশিন বসানো হয়েছে। প্রতিটি মেশিনের জন্য দুটি করে পুরুষদের এবং একটি করে মহিলাদের দেহ তল্লাশির বুথ রয়েছে। উড়ান সংস্থাগুলির কর্তাদের একাংশের মতে, নিরাপত্তা বেষ্টনীতে আরও এক্স-রে মেশিন বসানো দরকার। তাহলে দ্রুত তল্লাশির কাজ শেষ করা যাবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে সমস্যা হল, তল্লাশির দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ-এর সংখ্য়া সীমিত। তাই নতুন মেশিন আনলেও এখনই সমস্যার সমাধান মিলবে না।

আরও পড়ুন, মোদীকে ভালো ইভেন্ট ম্যানেজার, দিলীপের বক্তব্য়ে অস্বস্তিতে বিজেপি